
সদ্য বিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের দাবি, শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কারণে তাঁর বিপদ ঘটে। তিনি লন্ডন ও দেশে অবস্থানকালে একাধিকবার শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতে প্রমাণিত হয়েছে। সাহাবুদ্দিন মন্তব্য করেছেন, এই ফোনালাপ নিয়ে যেসব খবর প্রচারিত হচ্ছে তা ভিত্তিহীন এবং তিনি জনগণের কাছে যেকোনো রায় মেনে নিতে প্রস্তুত।
শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আসার কথা বলায় বর্তমান সরকারের কাছে দেশ ও বিদেশে সরকারবিরোধী চক্রান্তের তথ্য এসেছে। সরকার সাহাবুদ্দিনকে আর ‘ছাড়’ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁর ওপর নজরদারি জোরদার করেছে, যার ফলে তাঁকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়।
বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালানোর পরেও সাহাবুদ্দিনকে দীর্ঘ সময় ধরে পদে রাখা হয়। তবে বিএনপি এই সময়ে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দাঁড়ায়নি, কারণ তাঁকে সরালে নির্বাচনের সূচি বিলম্বিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।
গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের তথ্যের ভিত্তিতে সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। শুক্রবার তাঁর সামরিক সচিব পদত্যাগপত্র সংসদে জমা দেন। মে মাসে চিকিৎসার জন্য লন্ডন গিয়ে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বিষয়টি নিয়ে সরকার থেকে কোনো অফিসিয়াল বক্তব্য পাওয়া যায়নি।




















