
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সম্প্রতি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সঙ্গে বোঝাপড়া করে পদত্যাগ করেছেন। এই সমঝোতা অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি পদে থাকার সময়ে সুরক্ষার আশ্বাস পেলেও, বিএনপি সাহাবুদ্দিনের রাষ্ট্রপতি পদে আসার পূর্বে কোনো কেলেঙ্কারি বা মামলার দায়ভার নেবে না।
সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব বাংলাদেশ’-এর বিশেষ প্রতিবেদনে জানা গেছে, সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের পর জানান যে, তিনি শারীরিক সুস্থতা ফিরে পেলেই চিকিৎসার জন্য বিদেশে চলে যাবেন। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, আগামী ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবে এবং এ বিষয়ে দলীয় বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
জামায়াতে ইসলামীর কিছু নেতাও সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের ব্যাপারে আগে থেকেই অবহিত ছিলেন। তারা জানান, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের জন্য তাদের পক্ষ থেকে চাপ ছিল, তবে সব দিক বিবেচনা করে বিএনপি তাকে আর রাখার সিদ্ধান্ত নেয়নি।
স্পিকার ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংবাদ সম্মেলনে জানান, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে কোন মামলা দায়ের হলে তা তদন্ত করা হবে, তবে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পূর্বে হওয়া কর্মকাণ্ডের দায় বিএনপি নেবে না।
এর আগে সাহাবুদ্দিন পদত্যাগপত্র জমা দেন এবং এবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার কথা। পদত্যাগের পর সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভিভিআইপি প্রটোকল সুবিধা পেলেও নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। তার জন্য গুলশানে একটি ফ্ল্যাট প্রস্তুত করা হচ্ছে, যেখানে তিনি বঙ্গভবন ছাড়ার পর উঠবেন।



















