• আজ ১২ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ড. ফাহামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ | ২৭/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন।

বৃহস্পতিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম আব্দুস সালাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা এবং দেশ ও দলের প্রতি নিঃস্বার্থ অবদানের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, দীর্ঘ ২২ বছর ধরে খুব কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতায় মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল বড় ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যিনি নিজের সুখ-স্বার্থ ত্যাগ করে অন্যদের আনন্দ দেওয়ার মধ্যে তৃপ্তি পান।

তৃণমূল ও দেশবাসীর প্রতি মির্জা ফখরুলের নিবেদটপ্রাণ ভূমিকার কথা স্মরণ করে পোস্টে বলা হয়, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল অতুলনীয়। বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি নিজের জীবনের মূল দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত কথোপকথনে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন যে, বেগম জিয়াকে মুক্ত করা এবং দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার মাধ্যমেই তার জীবনের মূল কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং তিনি এতে সন্তুষ্ট।

ফাহাম আরও উল্লেখ করেন, বিএনপির তরুণ নেতাকর্মীদের মধ্যে মির্জা ফখরুলকে কেবল দলের নয়, বরং দেশের মহাসচিব হিসেবে দেখার প্রবণতা রয়েছে। তার রাষ্ট্রপতি হওয়া একই সঙ্গে আনন্দের ও হতাশার। আনন্দের কারণ জাতি হিসেবে এমন একজন অভিভাবক প্রয়োজন, আর হতাশার কারণ বিএনপিতে এমন একজন নিঃস্বার্থ মানুষের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন এবং বঙ্গভবনের ঘেরাটোপে তার মতো কর্মঠ মানুষের দম বন্ধ হয়ে আসতে পারে।

রাজনীতিতে সততা ও ভালো মানুষের স্থান রয়েছে— মির্জা ফখরুলের জীবন ও সংগ্রাম তারই প্রমাণ বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক।