• আজ ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জা ফখরুলকে নিয়ে ড. ফাহামের আবেগঘন স্ট্যাটাস

| নিউজ রুম এডিটর ৭:৫৫ পূর্বাহ্ণ | ২৮/০৮/২০২৬ অন্যান্য

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রজ্ঞাপন জারি করার পর তাকে নিয়ে একটি আবেগঘন ফেসবুক পোস্ট দিয়েছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী লেখক ও গবেষক ড. ফাহাম আব্দুস সালাম। পোস্টে তিনি মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান এবং রাজনৈতিক জীবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাবেন কি না, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। বৃহস্পতিবার রাতে দেওয়া ওই পোস্টে ফাহাম মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সততা, দায়িত্বশীলতা ও ত্যাগের নানা দিক তুলে ধরেন। দীর্ঘ ২২ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মির্জা ফখরুলকে একটি যৌথ পরিবারের দায়িত্বশীল ‘বড় ছেলে’র সঙ্গে তুলনা করেন, যিনি নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে অন্যদের ভালো রাখায় আনন্দ পান।

ফাহাম লেখেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার আনুগত্য ছিল অতুলনীয় এবং বেগম জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনকে তিনি নিজের জীবনের প্রধান দায়িত্ব হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। ৫ আগস্টের পর সিঙ্গাপুরে এক একান্ত কথোপকথনে মির্জা ফখরুল তাকে বলেছিলেন যে, বেগম জিয়াকে মুক্ত করতে পারা এবং দেশকে গণতন্ত্রের পথে ফেরাতে পারায় তিনি সন্তুষ্ট। ফাহাম মন্তব্য করেন, রাজনীতিতে এমন একজন অনুগত ও নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধা পাওয়া যেকোনো নেতার জন্যই সৌভাগ্যের বিষয়, তবে তারেক রহমান এমন কাউকে পাবেন কি না তিনি নিশ্চিত নন।

মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হওয়া প্রসঙ্গে ফাহাম জানান, এটি তার জন্য একই সঙ্গে আনন্দের ও হতাশার। আনন্দের এই কারণে যে জাতি এমন একজন অভিভাবক পেয়েছে, আর হতাশার কারণ হলো বিএনপিতে এমন একজন মানুষের খুব অভাব রয়েছে যিনি নিজের আগে দলের ও দেশের স্বার্থ দেখেন এবং বঙ্গভবনের ঘেরাটোপে তার মতো কর্মঠ মানুষ হাঁপিয়ে উঠতে পারেন। মারদাঙ্গা রাজনীতি বা অর্থবিত্তের প্রদর্শনী না করেও যে সততা ও ভদ্রতার মাধ্যমে মানুষের আস্থা অর্জন করা যায়, মির্জা ফখরুল তার এক বড় প্রমাণ বলে উল্লেখ করেন এই গবেষক।