=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আওয়ামী লীগ নেতাদের নিয়ে দিল্লির সেমিনার পুলিশি বাধায় বাতিল

| নিউজ রুম এডিটর ১১:৩৫ অপরাহ্ণ | ৩০/০৮/২০২৬ আন্তর্জাতিক

ভারতের নয়াদিল্লিতে ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব বা এফসিসি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে নিয়ে একটি সেমিনার আয়োজন করেছিল। পরে দিল্লি পুলিশের বাধার কারণে শেষ পর্যন্ত এই সেমিনারটি বাতিল করেছেন আয়োজকরা।

 

শনিবার সন্ধ্যায় এফসিসি এক বিবৃতিতে জানায়, দিল্লি পুলিশ শেষ মুহূর্তে অনুষ্ঠানটির অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানানোর কারণেই সেমিনারটি বাতিল করতে হয়েছে।

 

এই সেমিনার আয়োজনের বিষয়টি নিয়ে এফএফসিসির পক্ষ থেকে আগেই তাদের এক্স একাউন্টে একটি পোস্ট দিয়েছিল। সেখানে বিষয়বস্তু ও কারা বক্তব্য দিবে সেই বিষয়গুলো লিফলেটও যুক্ত ছিল।

 

এই সেমিনারে অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে উপস্থিত থাকার কথা ছিল বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সেলিম মাহমুদের।

 

এছাড়া মানবাধিকারকর্মী, গবেষক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সাবেক হাইকমিশনার বীণা সিক্রিসহ আরো বেশ কয়েকজনের এই সেমিনারে বক্তা হিসেবে ছিলেন।

 

ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ নন্দ বলেছেন, ‘তারা শুধু আমাদের বলেছে এই অনুষ্ঠান করার অনুমতি নেই। তবে ঠিক কারণে অনুমতি নেই বা তারা বন্ধ করেছে সেটি তারা জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।’

 

এ নিয়ে দিল্লি পুলিশ আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেয়নি। দিল্লি পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরির আশঙ্কা থাকলে পুলিশ যেকোনো সময়ে যেকোনো অনুষ্ঠান বাতিল করার অধিকার রাখে।’

 

এ নিয়ে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এর আগে এ মাসের পাঁচ তারিখে এফসিসি দিল্লিতে আরো একটি সেমিনারের আয়োজন করেছিল। বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি বক্তব্যও দিয়েছিলেন।

 

তার ওই বক্তব্যের পর এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল ঢাকা। এ নিয়ে দুই দেশের মধ্যে সে সময় টানাপোড়েন হয়।

 

দিল্লি থেকে বিবিসি সংবাদদাতা জানান, এ বছরের ৫ আগস্টের অভিজ্ঞতার পর হয়তো দিল্লি আওয়ামী লীগ নেতাদের কোনো প্রকাশ্যে অনুষ্ঠান করতে দিতে চাইছে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

 

প্রায় একই রকম বলছেন বাংলাদেশের সাবেক কূটনীতিকরা। তারা মনে করছেন, শেখ হাসিনার ওই বক্তব্যের পরই দিল্লি ও ঢাকার সম্পর্ককে আরো তিক্ত করেছিল। যে কারণে প্রায় একই রকম আরেকটি অনুষ্ঠান হোক সেটি দিল্লি চায়নি।