
সাত দিনের কারাবাস শেষে মুক্তির নির্দেশ পেয়েছেন ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বুধবার দিল্লির এক বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন।
দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ এবং আগে দেওয়া শান্তি রক্ষার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে তাদের আটক করা হয়েছিল।
বুধবার সন্ধ্যায় দুই নেতার মুক্তির নির্দেশের খবর সামনে আসে। এর আগে তাদের হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তারা। তবে বুধবার শুনানিতে বিচারপতি সুব্রামোনিয়াম প্রসাদ তাদের আইনজীবীকে প্রথমে বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে বলেন।
প্রয়োজনে পরে উচ্চতর আদালতে যাওয়ার পরামর্শও দেন তিনি। এরপর হাই কোর্টে দায়ের করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেন দুই নেতা।
দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা আগে দেওয়া শান্তি রক্ষার মুচলেকার শর্ত ভঙ্গ করেন। সেখানে বিক্ষোভের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা জাতীয় পতাকা উত্তোলনের চেষ্টা করেছিলেন বলে অভিযোগ। এ ঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয় পুলিশ।
এর আগে দুই নেতার হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে একাধিকবার শুনানি হয়। পুলিশ তাদের আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল। পুলিশের যুক্তি ছিল, মুক্তি পেলে তারা আবারও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিক্ষোভে অংশ নিতে পারেন। তবে বুধবার বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাদের মুক্তির নির্দেশ দেন।
সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার আটককে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে চলমান প্রতিবাদের সঙ্গে এই ঘটনার যোগ রয়েছে। সিজেপি ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছে। তবে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ কমিশন স্বীকার করেনি।
মুক্তির নির্দেশের ফলে দুই নেতার কারাবাসের অবসান ঘটতে যাচ্ছে। তবে যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ঘিরে পুলিশের অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর পরবর্তী অগ্রগতি এখন গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তির নির্দেশের অর্থ তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগের নিষ্পত্তি নয়।
ককরোচ জনতা পার্টি, ভারতে ছাত্র আন্দোলন























