
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজশাহী সফরকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ সংক্রান্ত মন্তব্য করার সাহস পতিত অপশক্তিকে বিরোধীদলই জুগিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে রাশেদ খাঁন এমন মন্তব্য করেন।
পোস্টে রাশেদ খাঁন লেখেন, বিরোধীদলের নেতাদের উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য ও আগ্রাসী আচরণ এবং দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টার সুযোগ নিচ্ছে পতিত অপশক্তি। যার একটি উদাহরণ, প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে এক যুবকের মন্তব্য ‘একটি মাত্র স্নাইপার দরকার ছিলো।’ বিরোধীদলের নেতাদের আগ্রাসী আচরণই পতিত অপশক্তিকে এমন মন্তব্য করার দুঃসাহস জুগিয়েছে।
তিনি লেখেন, বিরোধীদলের মুখে, জনসভায় কিংবা টকশোতে আওয়ামী লীগের অপকর্ম, গুম-খুন ও দল হিসেবে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। বরং গণঅভ্যুত্থানের ১ মাসের মাথায় আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন জামায়াতের আমির।
তিনি আরও লেখেন, জামায়াত-এনসিপি এমন ন্যারেটিভ দাঁড় করাচ্ছে যে, ৮ মাসের বিএনপি সরকার আওয়ামী লীগের ১৬ বছরকে হার মানিয়েছে! তাদের মিথ্যাচার ও অপবাদের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার পরিবার। বাদ যাচ্ছেন না, যে সব নেতা ও মন্ত্রীরা আওয়ামী লীগের সময় গুম হয়েছিলেন ও শত শত মামলায় জর্জরিত হয়েছিলেন কিংবা নির্বাসিত জীবনে ছিলেন, তারাও। ৫ আগস্টের পরেও যারা চাকরিতে ছিল, কেউ বা ৫ আগস্টের আগে কখনো রাজপথে নামেনি, কিংবা কোনো একটা আন্দোলন দেখার জন্য এসে বা সামান্য সময় থেকে কোনোরকম ফুটেজ নিয়ে রেখেছে, তাদের গলাবাজি দেখে মনে হচ্ছে বিগত ১৬ বছর শুধু তারাই সংগ্রাম করেছে!
শেষে রাশেদ খাঁন লেখেন, অথচ সংগ্রামের পরিমাণ বিবেচনা করলে, বিএনপির নেতাকর্মীদের শতভাগ লড়াইয়ের তুলনায় একভাগ লড়াইও তারা করেনি। কিন্তু আজকে মনে হচ্ছে, তাদের কাছ থেকে আন্দোলন সংগ্রামের ইতিহাস বিএনপিকে জানতে হচ্ছে। ঠিক যেমনিভাবে অধ্যাপক জাফর ইকবাল থেকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জাতিকে জানতে হয়েছে, তেমনিভাবে বিরোধীদলের অধিকাংশ আনকোরা এমপিদের থেকে জুলাই বিপ্লবের ইতিহাস বিএনপিকে জানতে হচ্ছে! অথচ বিরোধীদলীয়দের অধিকাংশ এমপিরা ১৬ বছর গুম (গুপ্ত) ছিল!




















