=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাফ ভাড়া নিয়ে বৈঠকে ভর্তুকি চাইলেন বাস মালিকরা

| নিউজ রুম এডিটর ৫:১৪ অপরাহ্ণ | ২৭/১১/২০২১ জাতীয়

গণপরিবহণে অর্ধেক ভাড়া (হাফ পাস) চালু নিয়ে মালিকদের সঙ্গে সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের দ্বিতীয় দিনের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে উল্টো ভর্তুকি দাবি করেছেন বাস মালিকরা।

শনিবার ঢাকার বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে টানা দুই ঘণ্টা বৈঠক চলে। এ সময় পরিবহণ মালিকরা টাস্কফোর্স গঠন করে তাদের জন্য ভর্তুকি নির্ধারণ করার দাবি জানান।

বৈঠক শেষে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার সাংবাদিকদের বলেন, ২৫ নভেম্বরের বৈঠকের ধারাবাহিকতায় আজ এ বৈঠক হল। পরিবহণ মালিক-শ্রমিকরা অনেকগুলো প্রস্তাব দিয়েছেন। ঢাকা শহরে কত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কত শিক্ষার্থী, ইত্যাদি তথ্য তারা চেয়েছেন।

বৈঠকে ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিআরটিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, হাফ ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আলাদা কোনো পরিচয়পত্র দেওয়া হবে কিনা, সে বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পুরো বিষয়টি সুরাহা করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ এবং পরিবহণ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির নেতা খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ঢাকায় নগর পরিবহনের যে বাসগুলো চলে, তার মালিকদের ৮০ শতাংশই গরিব। একটা বা দুটো বাস চালিয়ে তাদের সংসার চলে। তাদের বাচ্চারাও স্কুল কলেজে যায়।

এ কারণে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের প্রস্তাব হচ্ছে, বাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ বা ভর্তুকির বিষয়টি নির্ধারণ করেই হাফ ভাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন তহবিল থেকে এই ভর্তুকি আসবে সেটিও নির্ধারণ করতে হবে।

এর আগে বুহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) শিক্ষার্থীদের জন্য গণপরিবহণে হাফ পাশ (অর্ধেক ভাড়া) চালুর বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও বাস মালিক সমিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত সভা কোনো ধরনের সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।

ওই বৈঠকে বাস মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যেহেতু সরকার বেসরকারি বাসে ভর্তুকি দেয় না সেহেতু ভাড়া কম নেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ যানজটের কারণে ট্রিপের সংখ্যা কমেছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গাড়ির যন্ত্রাংশের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই হাফ ভাড়া নিলে লোকসান গুনতে হবে।

প্রসঙ্গত, হাফ পাসের দাবিতে আন্দোলন এবারই প্রথম নয়। ২০১৮ সালের নিরাপদ সড়কের দাবিতে করা আন্দোলনেও শিক্ষার্থীদের অন্যতম চাওয়া ছিল ‘হাফ পাস’ ব্যবস্থা। ওই সময় আন্দোলনের মুখে অনেকটা তড়িঘড়ি করে ‘সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮’ পাস করা হলেও তাতে শিক্ষার্থীদের অর্ধেক ভাড়ার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

সম্প্রতি ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে আরেক দফা বাসের ভাড়া বাড়ানো হলে শিক্ষার্থীরা আবারও হাফ পাসের দাবিতে রাস্তায় নামেন।