• আজ ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

চিকন্দি ইউপি নির্বাচন পর্যবেক্ষণে গিয়ে হামলার শিকার সাংবাদিক নুর আলম ।

| নিউজ রুম এডিটর ৭:৪৬ অপরাহ্ণ | ৩১/০১/২০২২ জাতীয়

শেখ নজরুল ইসলাম, শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের শ্রীপাশা (৭নং কেন্দ্র) এলাকায় নির্বাচনী পর্যবেক্ষণে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন সাংবাদিক নুর আলম। এসময় তাকে এলোপাতাড়ি কিল ঘুসি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে মেম্বার প্রার্থী আব্দুল আজিজ খানের লোকজন। আহত অবস্থায় শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে পালং মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ প্রসঙ্গে সাংবাদিক নুর আলম বলেন, শরীয়তপুর চলমান ষষ্ঠ ধাপে অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দৈনিক মাতৃভূমির খবর পত্রিকার প্রতিনিধি হিসেবে তথ্য সংগ্রহ করতে আসছিলাম। সকাল আনুমানিক ১১টার সময় শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দি ইউনিয়নের শ্রীপাশা (৭নং কেন্দ্র) এলাকায় পিজাইটিং কর্মকর্তা শরীফ মোহাম্মদ ইমারত হোসেনের সাথে কথা বলে কেন্দ্র থেকে বের হচ্ছিলাম। তখন মেম্বার প্রার্থী আব্দুল আজিজ খান (ফুটবল মার্কা) আমাকে ডেকে বলে আপনি কিসের সাংবাদিক।

তাকে উত্তেজিত দেখে আমি কেন্দ্র ইনচার্জ এসআই কাদিরকে বিষয়টি জানালে এসআই কাদির আমাকে গাড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দেয়। পিছন থেকে আব্দুল আজিজ খান তার সমর্থদের উদ্দেশ্য করে জোর গলায় বলেন, শালায় কিসের সাংবাদিক, ওরে পিটাইয়া মেরে ফেল। এরপর তার সমর্থকরা বেপরোয়া ভাবে আমাকে কিল ঘুসি ও লাঠি দিয়ে মারতে থাকে। প্রাণ বাঁচাতে আমি রাস্তার পাশে পুকুরে ঝাপ দেই। এসময় আমার সাথে থাকা ডিএসএলআর ক্যামেরা, নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ কার্ড ও মানিব্যাগ (যার মধ্যে ৬,৩০০টাকা) নিয়ে যায়। তবে ঠিক কেনো তাকে মেরেছে আব্দুল আজিজ খানের লোকজন তা জানেনা বলেও জানান তিনি। হামলাকারীরা সংখ্যায় ৫০-৬০জন হবে বলে তার ধারণা।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ খানের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

সাংবাদিকের উপর হামলার বিষয়ে কথা বলতে পালং মডেল থানায় গেলে ওসি আক্তার হোসেনকে পাওয়া যায়নি। নির্বাচনী ডিউটিতে আছেন বলে জানান ডিউটি অফিসার।