• আজ ২৮শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির |

লালমনিরহাটে মোঘল আমলে নির্মিত ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদ

| নিউজ রুম এডিটর ৬:৫৭ অপরাহ্ণ | ১৬/০৩/২০২৪ জাতীয়

 

আজিজুল ইসলাম বারী,লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার গোড়ল ইউনিয়নের হাজীপাড়া গ্রামে অবস্থিত ঐতিহাসিক ৫০০ বছরের পুরনো মসজিদ। এ মসজিদটি কত বছর আগে নির্মাণ হয়েছে তার সঠিক তথ্য কারও জানা না থাকলেও, নির্মাণ শৈলি দেখে ধারণা কর হয় এটি মোঘল আমলে নির্মিত।

এলাকায় এই মসজিদ ‘এক কাতার’ মসজিদ নামেই পরিচিত। মসজিদটির ভেতরে নামাজের জন্য একটি মাত্র কাতার হওয়ায় ১৩ থেকে ১৪ জনের বেশি কেউ এক সঙ্গে জামায়াতে নামাজ আদায় করতে পারেন না। জায়গা সংকুলানের জন্য বেশি সমস্যা হয় জুমার দিন। তবে কেন এত ছোট মসজিদ বানানো হয়েছিল সে বিষয়ে পরিষ্কার কোনো ধারণা দিতে পারেননি স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, ইট ও চুন-সুরকি দিয়ে প্রাচীন এই মসজিদটি বানানো হয়। এখনো দেয়ালে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে আগুনের ফুলকির মতো বের হয়। মসজিদের বাম পাশে একটি প্রাচীন কবর রয়েছে। ধারণা করা হয়, যে ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেছেন এটি তারই কবর। আর ডান পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছে শিয়া সম্প্রদায়ের দাহ। যার দেয়ালের প্রতিটি অংশে দেখা যায় প্রাচীন কারুকাজ। এছাড়া মসজিদটির সামনে রয়েছে আরও দুটি কবর।
মসজিদটি প্রাচীন স্মৃতি বহন করলেও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কেউ আজও যায়নি সেখানে। তবে মসজিদটি দেখতে বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষজন আসেন প্রতিনিয়ত।

এসব প্রাচীন মসজিদসহ লালমনিরহাট জেলায় রয়েছে মোট ২ হাজার ৪৫০টি মসজিদ। লালমনিরহাটে অবস্থিত ইসলাম প্রচারের প্রাচীনতম নিদর্শনগুলো সংরক্ষণের এবং পরিকল্পিতভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণে প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতরের সুদৃষ্টি দেয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সচেতন মহল।