• আজ ২৮শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ | এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ থাকছে না: চিফ হুইপ | মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী |

দিল্লি বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে আরএসএস সমর্থিত মিছিল

| নিউজ রুম এডিটর ৪:০২ অপরাহ্ণ | ১০/১২/২০২৪ জাতীয়, লিড নিউজ

 

হিন্দুত্ববাদী রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (আরএসএস) সমর্থনে সিভিল সোসাইটি অব দিল্লি’র ব্যানারে ভারতের দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের অভিমুখে বিক্ষোভ মিছিল চলছে। মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার পর দিল্লির চাণক্যপুরী থানার তিন মূর্তি চক থেকে মিছিলটি শুরু হয়েছে।

 

বিবিসি বাংলার সাংবাদিক শুভজ্যোতি ঘোষ জানিয়েছেন, মিছিলে তিন থেকে চার হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেছে। সেখানে বিভিন্ন বয়সী পুরুষদের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য পরিমাণ নারীও যোগ দিয়েছেন। তবে তাদেরকে শেষ পর্যন্ত দূতাবাস অবধি যেতে দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়টি স্পষ্ট না। কারণ রাস্তায় ব্যারিকেড আছে। তাই তারা এখন এক জায়গায় দাঁড়িয়ে স্লোগান দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, বিক্ষোভ মিছিলে প্রায় সবার হাতেই প্ল্যাকার্ড দেখা যাচ্ছে। প্ল্যাকার্ডে- ‘বাংলা বাঁচাও, বাঙালি বাঁচাও, বাঁচাও সনাতন!’, ‘বাংলাদেশ, একাত্তর মনে করো, জুলুমবাজি বন্ধ করো! সেভ বাংলাদেশি হিন্দুজ’ এমন বেশ কিছু স্লোগান দেখা যাচ্ছে।

এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে আরএসএস নেতা রজনীশ জিন্দাল, ভারতের সাবেক ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো চিফ রাজীব জৈন, ঢাকাতে সাবেক রাষ্ট্রদূত বিনা সিক্রিও থাকবেন বলে শোনা যাচ্ছে।

এর আগে কলকাতা ও আগরতলার ডেপুটি হাইকমিশনে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ করা হয়। এসব কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা হাইকমিশন ভবনে হামলা ও কর্মরতদের মারধর করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। বিষয়গুলো প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এর মধ্যেই সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি ঢাকা সফর করেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত ৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের মধ্যে যে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে, তা প্রশমনের লক্ষ্যেই বাংলাদেশ সফরে আসেন ভারতীয় এই কর্মকর্তা। কিন্তু তার সফরের পরদিনই দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে এমন বিক্ষোভ কর্মসূচির খবর পাওয়া গেল।