• আজ ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

চাপে নয়, চাহিদা অনুযায়ী বোয়িং কেনা হচ্ছে

| নিউজ রুম এডিটর ২:৩৯ অপরাহ্ণ | ০২/০৯/২০২৬ জাতীয়

চাপের কারণে নয়, বরং এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। গতকাল মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এসব ইস্যুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে আমরা এশিয়ার একটি এভিয়েশন হাব হিসেবে তৈরি করতে চাচ্ছি। আমরা একটি গেটওয়ে হওয়ায় আমাদের আরও বেশি রুটে সেবা দিতে হবে। আর এজন্য আমাদের বড় বহর প্রয়োজন। ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস যেভাবে বড় হয়েছে, দেখুন তাদের প্রায় দেড়শটির বেশি উড়োজাহাজের বহর আছে। সে হিসেবে আমাদের সংখ্যা তত বেশি নয়। তাই অবশ্যই আমাদের প্রয়োজন অনুযায়ী বোয়িং কিনতে হবে, এয়ারবাস কিনতে হবে। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে ৭০ থেকে ৮০টি বা তারও বেশি উড়োজাহাজের চাহিদা রয়েছে।

 

যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনার বিষয়ে কোনো চাপ আছে কি না, এ প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে একটি নীতিগত চুক্তিতে এসেছি। আমাদের কোনো চাপ নেই। আমাদের পর্যাপ্ত বহর নেই, আমাদের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। অন্যথায় আমরা রুটগুলোতে সেবা দিতে পারব না, নতুন রুট খুলতে পারব না। তাহলে আমাদের লোকসান হবে।

 

এ সময়, গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে দিল্লিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভার অনুমতি দেওয়া হয়নি। দিল্লি পুলিশ, ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবকে (এফসিসি) এ অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর আপাতত হচ্ছে কি না, এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ হয়নি। তবে একটি উপযুক্ত সময়ে অবশ্যই সফরটি হবে। পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে এবং উভয় দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে তারিখ ঠিক করা হবে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবির আরও বলেন, ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হবে না। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি কিংবা ভারতে আশ্রয় না পায়।