• আজ ২৫শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

সিলেটে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইনজেকশন পুশ করায় এক প্রবাসীর মৃত্যু

| নিউজ রুম এডিটর ৫:০১ অপরাহ্ণ | ২৭/০১/২০২২ সারাদেশ, সিলেট

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেটে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইনজেকশন পুশ করায় এক প্রবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারী সকালে। সকাল থেকে রোগীর মুত্যুও পর স্বজনরা হাসপাতালে মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ করে সিলেটের উইমেন্সে মেডিকেল কলেজে।

নিহত রোগীর ভাগনা জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারী) ভোর রাত ৪টার দিকে আব্দুল আহাদের বুকে ব্যথায় ধরে। পরে তাকে নিয়ে উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসা হয়। তখন তিনি বেডে ভালোই ছিল। ডাক্তার প্রেসক্রিপশন লিখে দেন, আমরা ওষুধ নিয়ে আসি। পরবর্তীতে একটা ইনজেকশন মারা হয়। ইনজেকশন মারার সাথে সাথে নাকে-মুখে রক্তক্ষরণ হয়ে তিনি মারা যান।

তিনি আরও বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষের কাছে যাই। কিন্তু কয়েক ঘন্টায়ও তারা কোনো আশ্বাস আমাদেরকে দেয়নি। কোন ডাক্তার চিকিৎসা করেছেন, তার নামও আমাদেরকে জানায়নি। আমরা বলেছি, ডাক্তারের নামটা বলেন, আমরা বুঝি যে কেন এমনটা ঘটলো। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বারবার বলছে, ‘সরি, সরি, ভুল হয়ে গেছে’। পরবর্তীতে আমরা প্রশাসন নিয়ে কর্তৃপক্ষের সাথে বসেছি। তখন তারা আর দুঃখিত বলেনি, টালবাহনা দিয়ে ধামাচাপা দিতে চাইছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে।

মারা যাওয়া আব্দুল আহাদ (৪০) সিলেট শহরতলির আখালিয়া নতুন বাজাওেংষধস মোহাম্মদিয়া আবাসিক এলাকায়র পংকি মিয়ার ছেলে। তিনি সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। ব্যক্তি জীবনে তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের বাব ছিলেন।