• আজ ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির |

স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষন ও নির্যাতনের অভিযোগ, মিমাংসার চেষ্টা পুলিশের

| নিউজ রুম এডিটর ১২:২১ অপরাহ্ণ | ০২/০২/২০২২ সারাদেশ, সিলেট

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ঢোলারহাঁট ইউনিয়নে স্কুল ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণের পর পাশবিক নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়ায় গেছে। এ ঘটনার পর আজ মঙ্গলবার রাতে শিক্ষার্থীকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। সোমবার (৩১ জানুয়ারী) রাতে ওই ইউনিয়নের হারাগাছপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ওই শিক্ষার্থী ঢোলারহাঁট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবমশ্রেনীর ছাত্রী।

পরিবারের সূত্রে জানাযায়, সোমবার রাতে ফোন করে কৌশলে নিজ বাড়ি থেকে ওই শিক্ষার্থীকে তুলে নিয়ে যায় দুই যুবক। পরে কয়েকজন মিলে ধর্ষনের পর মধ্যরাতে বাড়ির সামনে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। এ ঘটনার পর বিষয়টি পরিবারের পক্ষ থেকে রুহিয়া থানায় অবগত করলে মিমাংসার কথা বলে কালক্ষেপন করে। পরবর্তিতে মেয়েটি যন্ত্রনায় ছটপট করলে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে আসে তার পরিবার। পরে হাসপাতালে পুলিশের উপস্থিতে মেয়েটিকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে যারা ফেলে পালিয়েছে। তারা সবাই চিহ্নিত। প্রশাসন চাইলেই ব্যবস্থা নিতে পারতেন। তা না করে উল্টো মিমাংসার সময় পার করেছেন। যা কাম্য নয়। সমাজে এ ধরনের ঘটনার বিচার না হলে বখাটেরা আরো সাহস পাবে। আমরা চাই দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনবে পুলিশ।

ওই ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুজন মাহমুদ জানান, খবর পেয়ে জেনেছি এ ঘটনার সাথে সদরের আকচা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সিদিস্য মখলেছুর রহমানের ছেলে আশরাফুল ও খালাতোঁ ভাই সুজন মেয়েটিকে তুলে নিয়ে যায়। পরে নির্জন জায়গায় কয়েকজন মিলে ধর্ষণ করে। তাদের আটক করলেই ঘটনার মুল রহস্য উদঘাটন করা সহজ হবে।

এবিষয়ে রুহিয়া থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় মিমাংসার বিষয়টি অস্বীকার করে অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান গণমাধ্যমকর্মীদের।