• আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

আমার দলের হলে চারটা থাপ্পড় মারতাম : মমতা

| নিউজ রুম এডিটর ১১:২৫ অপরাহ্ণ | ৩০/০৫/২০২২ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

পশ্চিমবঙ্গে ইটভাটা থেকে পাওয়া রাজস্বের নাকি হিসাব পাওয়া যাচ্ছে না। সরকারি কর্মচারীদের ‘পকেটে’ চলে যাচ্ছে একাংশ। সোমবার পুরুলিয়ার প্রশাসনিক বৈঠকে এমন অভিযোগ উঠতেই রাগে অগ্নিশর্মা হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সরাসরি পুরুলিয়ার জেলাশাসকের উদ্দেশে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বললেন, ওই জেলাশাসকের প্রতি তার ধারণাই বদলে গেল।

এর আগে শুক্রবার পুরুলিয়া জেলার প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তৃণমূলের এক নেতা অভিযোগ করেন, স্থানীয় ইটভাটা থেকে যে সরকারি অর্থ আদায় হয়, তার হিসাব পাওয়া যায় না। সেগুলো নাকি কয়েকজন পকেটে পোরেন। অভিযোগ উঠতেই মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন করেন জেলা শাসককে।

উদ্বেগের গলায় মুখ্যমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘‘ডিএম শুনতে পাচ্ছো? এগুলো কিন্তু তৃণমূল করেনি।

করছে প্রশাসনের নিচের তলার কর্মীরা। ’’ এর পরই তার সংযোজন, ‘‘নিজেরা টাকাটা নেয়, নিজেরাই খেয়ে নেয়! কী জেলা চালাচ্ছ তুমি (জেলাশাসক)? এতদিন জেলায় আছো। আমার ধারণাই বদলে গেল। ’’
এখানেই না থেমে মমতা আরও বলেন, ‘‘এতকিছু দিচ্ছি মানুষকে, তবু কয়েকজন এত লোভী কেন হয়ে গেছে।

আর কত চাই? আমার পার্টির লোক হলে আমি টেনে চারটা থাপ্পড় মারতাম। তাদের আমি সবসময় শাসন করি। ’’
জেলাশাসককে মমতা এ-ও বলেন, ‘‘আমি কথা বলছি (প্রশাসনিক বৈঠকে), তোমার পুলিশ চলে যাবে, তদন্ত করবে। একে বলে প্রশাসন, একে বলে কাজ। গরিব মানুষ যখন একটা কমপ্লেইন করে, আমি নিতে পারি না।

সে যে-ই হোক। ’’
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা