=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকেল ৪টার মধ্যে দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শিক্ষার্থীদের

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের পদত্যাগ ও নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) পদত্যাগসহ দাবি না মানলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা কলেজ ক্যাম্পাসে এক সংবাদ সম্মেলন থেকে দাবি আদায়ে ৪ ঘণ্টার বেঁধে দেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা কলেজের মো. শফিক উদ্দিন ও ইডেন মহিলা কলেজের সুমাইয়া আক্তার। তারা বলেন, আজ সোমবার বিকেল ৪টার মধ্যে ঢাবির উপ-উপাচার্যকে পদত্যাগ করতে হবে। নিউমার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে পদত্যাগ করতে হবে। না হলে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবে।

এর আগে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষের ঘটনায় সোমবারের (২৭ জানুয়ারি) সব পরীক্ষা ও ক্লাস স্থগিত করার পর এবার সাত কলেজের সব চূড়ান্ত পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে।

এর আগে, রোববার (২৬ জানুয়ারি) পাঁচ দফা দাবিতে আন্দোলনরত সাত কলেজের তিন শতাধিক শিক্ষার্থী প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা সায়েন্স ল্যাব মোড় অবরোধ করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে আসে। তারা নীলক্ষেত মোড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে কয়েক শ’ শিক্ষার্থী বেরিয়ে এসে তাদের ধাওয়া দেন। পরে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা একজোট হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ধাওয়া দেন। এতে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ৪০ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সাত কলেজের সমস্যা ও ভর্তির আসন সংখ্যা কমানোর বিষয়ে ঢাবির প্রো-ভিসি (শিক্ষা) কাছে গেলে তিনি অশোভন আচরণ করে রুম থেকে বের করে দেন। তিনি শিক্ষার্থীদের বলেন, সাত কলেজের বিষয়ে কিছু জানেন না।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, এ বিষয়ে ২১ দিন আগে তাকে স্মারকলিপি দেয়া হলেও সেটি পড়েননি। সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের চিনেন না বলেই তিনি আক্রমণমূলক ব্যবহার করেছেন। তাই তার অশোভন আচরণের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন শুরু হয়েছে।