=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রণক্ষেত্র সংসদের সামনে, ভেতরে প্রধানমন্ত্রী

| নিউজ রুম এডিটর ৫:৩৬ অপরাহ্ণ | ২০/০৭/২০২৬ ভারত

সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ‘নিট’-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

 

সোমবার ( ২০ জুলাই) সংসদ ভবনের ভেতরে অধিবেশন চলাকালে বাইরে হাজারো বিক্ষোভকারী পার্লামেন্টের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এ সময় রাইসিনা রোডসহ কয়েকটি স্থানে বসানো নিরাপত্তা ব্যারিকেড সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে কয়েকজন বিক্ষোভকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

 

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকটি এলাকায় কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে এবং অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে। কনট প্লেস, রেল ভবন, শাস্ত্রী ভবন, কনস্টিটিউশন ক্লাব ও রিজার্ভ ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার আশপাশেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

 

নিরাপত্তার স্বার্থে সংসদ ভবনের দক্ষিণ দিকের প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মধ্য দিল্লির বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে জনপথ, রাজীব চক, পটেল চক, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও মাণ্ডি হাউসসহ কয়েকটি মেট্রো স্টেশনে প্রবেশে সাময়িক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

 

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যন্তর মন্তর, সংসদ চত্বর এবং গুরুত্বপূর্ণ সরকারি ভবনগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও র‌্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স মোতায়েন রয়েছে। প্রশাসনের দাবি, কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া হয়নি এবং ওই এলাকায় বর্তমানে ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৩ ধারা অনুযায়ী জনসমাবেশে বিধিনিষেধ কার্যকর রয়েছে।

 

তবে আন্দোলনকারীদের দাবি, কর্মসূচির বিষয়ে তারা আগেই পুলিশকে অবহিত করেছিল। তাদের অভিযোগ, প্রশাসন শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে। বিক্ষোভস্থলের আশপাশে মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবায় বিঘ্ন ঘটার অভিযোগও তোলেন তারা। যদিও এ বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এদিকে সিজেপি দাবি করেছে, আন্দোলনের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে। তবে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।