
ময়মনসিংহের ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলামকে পুলিশ সুপারের পরিচয়ে ফোন করে একটি মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার না করার কারণ জানতে চেয়েছিলেন জহিরুল ইসলাম নামে একজন। পাশাপাশি বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করে। পরে জহিরুল ইসলামকে আটক করা হলে তাকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশারফ হোসাইন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড দেন। আটক হওয়া ব্যক্তির নাম মো. জহিরুল ইসলাম (৩২), যিনি ধোবাউড়া উপজেলার বাঘবের ইউনিয়নের পূর্ব বহুলী গ্রামের বাসিন্দা। পরে জানা যায়, তার পূর্বে একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি থাকলেও বর্তমানে তিনি বেকার।
ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, ফোনের অপর প্রান্ত থেকে আইজিপি পরিচয়ে জানানো হয় যে, একটি আসামিকে কেন গ্রেপ্তার করা হয়নি। কথোপকথনের সময় অসৌজন্যমূলক আচরণও مشاهده হয়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তারা প্রযুক্তির সাহায্যে কলদাতার পরিচয় শনাক্ত করেন এবং জানতে পারেন, ফোনটি করেছিলেন জহিরুল ইসলাম।
জানা গেছে, জহিরুল ইসলাম স্থানীয়ভাবে একাধিক অভিযোগের সম্মুখীন হয়েছেন। প্রায় দুই বছর আগে তিনি ছুরিকাঘাতের একটি ঘটনার পর থেকে কখনও স্বাভাবিক আবার কখনও অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করেন। ইউএনও মো. মোশারফ হোসাইন বলেছেন, সরকারি কর্মকর্তাদের পরিচয় দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ কারণে অভিযুক্ত যুবক অপরাধ স্বীকার করায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।





















