• আজ ২৭শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের হামলার ভয়ে যেভাবে গোপনে তুরস্ক ছাড়েন ডোনাল্ড ট্রাম্প

| নিউজ রুম এডিটর ১২:২০ অপরাহ্ণ | ১১/০৮/২০২৬ জাতীয়

ইরানের পক্ষ থেকে হামলা চালিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে—এমন সম্ভাব্য হুমকির মুখে গত মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে একটি ছোট সামরিক বিমানে তিনি তুরস্ক ত্যাগ করেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানান, গত ৮ জুলাই আঙ্কারায় প্রথমে এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠেন ট্রাম্প। এরপর বিমানটির সঙ্গে সংযুক্ত খাবার সরবরাহের (ক্যাটারিং) একটি ট্রাকে করে তাকে ছোট আকারের সি-৩২এ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। এই বিমানে করেই তাকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। সে সময় সংবাদমাধ্যম ও অনেক কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছিল যে ট্রাম্প আগের বিমানটিতেই রয়েছেন।

এর আগে মার্কিন গণমাধ্যম জানিয়েছিল, ইরানের হুমকির কারণেই ট্রাম্প কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে (নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান) করে দেশে ফেরেননি। তবে এই বিমানটিতে করেই তিনি তুরস্কে গিয়েছিলেন। নিরাপত্তার কারণে সে সময় আঙ্কারা থেকে উড্ডয়ন করা বিমানের সাংবাদিকদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল, যা সাধারণত যুদ্ধক্ষেত্রেই অনুসরণ করা হয়।

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের এয়ারফোর্স ওয়ানের মতো কাতারের উপহার দেওয়া বিমানটিতে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থার মতো আধুনিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। গত বছর কাতারের রাজপরিবারের কাছ থেকে পাওয়া বিলাসবহুল এই বিমানটিকে সংস্কার করে এয়ারফোর্স ওয়ান হিসেবে ব্যবহার শুরু করেছিলেন ট্রাম্প।

হোয়াইট হাউসের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চিউং এএফপির কাছে পাঠানো এক বিবৃতিতে নতুন বিমানটির পর্যাপ্ত নিরাপত্তার কথা দাবি করেছেন। তিনি জানান, নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান একটি অত্যাধুনিক বিমান এবং প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সব ধরনের উপায় ব্যবহার করা হচ্ছে।