=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে সিএনজি ওয়ার্কশপের আড়ালে অস্ত্র তৈরির কারখানা, গ্রেপ্তার ২

| নিউজ রুম এডিটর ১০:১৮ অপরাহ্ণ | ০১/০৯/২০২৬ সারাদেশ

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সিএনজি অটোরিকশা মেরামতের ওয়ার্কশপের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে পরিচালিত হয়ে আসা দেশীয় অস্ত্র তৈরির একটি কারখানার সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানে দেশীয় পেনগানসহ পাঁচটি আগ্নেয়াস্ত্র, ২০ রাউন্ড গুলি এবং অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

 

 

১ সেপ্টেম্বর ( মঙ্গলবার) বেলা ৩টায় হাটহাজারীর সরকারহাট বাজার এলাকায় চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের প্রেস ব্রিফিংয়ে জেলা পুলিশ সুপার মো.মাসুদ আলম এসব তথ্য জানান।

 

এ ঘটনায় অস্ত্র তৈরি, সরবরাহ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে হাটহাজারী থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. জামাল হোসেন ওরফে জামাল মিস্ত্রি (৪৪) এবং মো. কবির (৪৭)।

 

হাটহাজারী এলাকায় একটি চক্র দেশীয় অস্ত্র তৈরি ও বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে চক্রটির ওপর নজরদারি শুরু করে পুলিশ। তথ্য যাচাই ও গোয়েন্দা তৎপরতার ধারাবাহিকতায় গত ৩১ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে মির্জাপুর ইউনিয়নের মনসুরাবাদ কলোনি এলাকায় হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

 

অভিযানকালে জামাল মিস্ত্রি ও কবিরকে আটক করা হয়। পরে তাদের হেফাজত থেকে একটি অত্যাধুনিক পেনগান, চারটি দেশীয় পিস্তল, পেনগানের ১৮টি গুলি এবং পিস্তলের দুটি বুলেট উদ্ধার করা হয়।

 

পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুজন হাটহাজারীর সরকারহাট বাজারে অবস্থিত ‘ওসমানের সিএনজি অটোরিকশা ওয়ার্কশপের’ আড়ালে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির তথ্য দেন। পরে এসব অস্ত্র দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হতো বলেও তারা জানিয়েছেন।

 

তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রাতেই সরকারহাট বাজারে ওই ওয়ার্কশপে অভিযান চালায়। সেখানে অস্ত্র তৈরির বিভিন্ন আলামত ও সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় পলাতক ওসমানসহ জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছে, অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ, অস্ত্রের উৎস চিহ্নিতকরণ এবং অস্ত্র সরবরাহকারী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।