• আজ ২৪শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 ভারতসহ ৩ দেশের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছেন ট্রাম্প | ইসিতে আপিল করে যা বললেন তাসনিম জারা | হাইকমিশনে গিয়ে খালেদা জিয়ার প্রতি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা | খালেদা জিয়ার মনোনয়ন কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা | বিচার দাবিতে আজ থেকে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ কর্মসূচি | আঞ্চলিক নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতে সার্ক পুনরুজ্জীবনের তাগিদ প্রধান উপদেষ্টার | স্বামীর কবরের পাশেই চিরনিদ্রায় শায়িত আপসহীন নেত্রী | অকৃত্রিম ভালোবাসায় আপসহীন নেত্রীকে শেষ বিদায় | স্বামীর পাশেই শেষ শয্যা, চলছে বেগম খালেদা জিয়ার কবরের মাপজোখ | বেগম জিয়ার মৃত্যুতে ৩ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক এবং একদিন সাধারণ ছুটি |

সিরাজগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ড কাউন্সিল ৭ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন ও স্মারক লিপি প্রদান।

| নিউজ রুম এডিটর ৬:৪১ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ১০, ২০২২ সারাদেশ

আজিজুর রহমান মুন্না সিরাজগঞ্জ ঃ বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ সিরাজগঞ্জ জেলা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে সারা দেশের ন্যায় সিরাজগঞ্জে ও ৭ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধন ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করা হয়।

সোমবার (১০অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘন্টা ব্যাপি মানববন্ধনে মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ সিরাজগঞ্জ জেলা কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি মোঃ কিবরিয়া হাসান এর নেতৃত্বে কর্মসূচি পালন শেষে ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মনির হোসেন এর নিকট ।

সরকারি চাকুরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কোটা পূনঃবহাল, আবেদনের বয়স সীমা ৩৫ বছর সহ ৭ দফা দাবি নিয়ে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা কমান্ড কাউন্সিল এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ বকুল হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি মোঃবাবুল হেসেন, সহ সভাপতি মোঃ কাছিদা খাতুন, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোঃ ফিরোজুল ইসলাম, কামার খন্দ উপজেলা কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইলিয়াস সরকার প্রমুখ। এসময় মানববন্ধন বক্তারা বলেন, দেশ স্বাধীনে যাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিলো তারা আজ বড়ই অবহেলিত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ নির্বাচনে সকল শহীদ ও বীরমুক্তিযোদ্ধা পরিবারের মধ্য থেকে জৈষ্ঠতার ভিত্তিতে অন্ত একজনকে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিতে হবে। জাতীয় সংসদে কমপক্ষে ৫০ টি সংরক্ষিত আসন সৃষ্টি করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনীদের নামে ভাতা চালুর ও দাবি জানান তারা। মানববন্ধনে জেলার মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান ও নাতি-নাতনীরা ও মুক্তিযোদ্ধারা অংশ নেয়।