
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় পুশ-ইন প্রতিরোধ ও সার্বিক সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। গত ১০ জুন নীলডুমুর ব্যাটালিয়নের (১৭ বিজিবি) প্রতিপক্ষ ৭৪ এবং ৭৭ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের আওতাধীন দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় ১২-১৫ জন বিভিন্ন বয়সের পুরুষ, মহিলা এবং শিশু পুশইন এর জন্য জমায়েত করেছে বলে তথ্য পাওয়া যায়। উক্ত সদস্যদেরকে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকা দিয়ে পুশইন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
যার প্রেক্ষিতে নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন এর দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকার সংশ্লিষ্ট বিওপিতে জনবল বৃদ্ধি করা হয়েছে। একই সাথে বিজিবির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় মোটর সাইকেল এবং এটিভির মাধ্যমে নিয়মিত এবং অতিরিক্ত রাত্রিকালীন টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী জনসাধারণকে পুশইন প্রতিরোধে মাইকিং এর মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় টহলদল বাঁশি, লাইট ও ম্যাগাফোন নিয়ে পুশইন প্রতিরোধে টহল কাযক্রম পরিচালনা করছে। নদীর মধ্যবর্তী শূন্যলাইন হতে যে কোন ধরনের পুশইন ব্যবস্থা প্রতিরোধকল্পে ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তবর্তী নদী এলাকায় হাই স্পীড বোট এর মাধ্যমে নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। যেকোন উদ্ভুত পরিস্থিতি নিরসনকল্পে স্থানীয় জনসাধারণকে জনসচেতনতামূলক সভার মাধ্যমে সচেতন করা হচ্ছে। সেই সাথে ব্যাটালিয়ন সদরে সার্বক্ষণিক ২ সেকশনের একটি QRF ফোর্স NTM এ রয়েছে।
এবিষয়ে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ শাহারিয়ার রাজিব, পিএসসি বলেন যে” দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১৭ বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে অবৈধভাবে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না। আন্তর্জাতিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, প্রচলিত আইন এবং বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার পরিপন্থী যেকোনো পুশইন অপচেষ্টা ১৭ বিজিবি কর্তৃক কঠোরভাবে প্রতিহত করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন ” পুশইন প্রতিরোধে সীমান্ত এলাকায় বিজিবির গোয়েন্দা নজরদারি, টহল ও অপারেশনাল কার্যক্রম বহুগুনে জোরদার করা হয়েছে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তায় এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় ১৭ বিজিবি সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।






















