• আজ ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

টেকসই বাঁধ না থাকায় ইছামতি নদী গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের ভূখন্ড

| Peoples News ৬:৪৮ অপরাহ্ণ | ০৬/০৩/২০২৬ সাতক্ষীরা, সারাদেশ

 

এমএ মামুন, সাতক্ষীরা: বাংলাদেশ ভারত দু দেশের সীমানায় বয়ে চলেছে ইছামতি নদী। জেলার কলারোয়া, সাতক্ষীরা সদর, দেবহাটা, কালিগঞ্জ উপজেলার সীমানায় বয়ে চলেছে এই নদী। জেলার কয়েকটি বহমান নদীর মধ্যে এটি অন্যতম। তবে দেবহাটা উপজেলার বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে নদীটি।

ইছামতি নদী অত্যান্ত খরতা হওয়ায় প্রতিবছর দুর্বল বাঁধ ভেঙে সীমান্ত পাড়ের এলাকা প্লাবিত হয়। এমনকি ভাঙনের ফলে দেবহাটা সদর ইউনিয়নের রাজনগর ও চরদেবহাটা মৌজা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বিগত বছরগুলোতে ভাঙনের ফলে বন্যায় অসংখ্য গ্রাম প্লাবিত হয়। এতে ফসলের খেত, মৎস্য ঘের, বসতবাড়ি ডুবে ব্যাপক ক্ষতিরমুখে পড়ে স্থানীয়রা। প্রতিবছর ভাঙন ঠেকাতে সংস্কারও হয়। কিন্তু টেকসই পদ্ধতি না হওয়ায় তেমন আশা দেখায় না।

টেকসই বাঁধ না থাকায় সীমান্ত সংলগ্ন খানজিয়া, নাংলা, নওয়াপাড়া, ছুটিপুর, বসন্তপুর, উপজেলা সদর, বিওপি, থানা ভবন, শীবনগর, সুশীলগাঁতী, চর-শ্রীপুর, ভাতশালা, কোমরপুর সহ বিভিন্ন গ্রামের জন সাধারণের দিন কাটে দুশ্চিন্তার মধ্য দিয়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা হাবিবুর রহমান, সেলিম হোসেন সহ কয়েকজন বলেন, সামনে বর্ষাকাল। তার আগে যদি ইছামতি নদীর বাঁধ রক্ষায় ব্যবস্থা না নেওয়া হয় তাহলে আমাদের এলাকা রক্ষা করা কঠিন হয়ে যাবে। দুর্বল বাঁধ পানির চাপে ভেঙে প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা বিরাজ করছে।

স্থানীয় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু তালেব বুলবুল বলেন, নদী ভেঙে আমাদের অনেক জমি বিলীন হয়ে গেছে। আমরা প্রতিবছর জমি হারাচ্ছি। সেই সাথে আমাদের থানা ও বিজিবি ক্যাম্প সহ পাশের এলাকার ব্যাপক ঝুঁকিতে রয়েছে। দ্রæত কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, ভাঙনের ফলে ইছামতি নদীতে আমাদের দেশের ভূখন্ড হারিয়ে যাচ্ছে। টেকসই বাঁধ নির্মাণের জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন মহলকে জানিয়েছি। প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় স্থায়ী উদ্যোগ গ্রহণ করা যাচ্ছে না।

সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক বলেন, আমি সংসদ অধিবেশনে এলাকার সমস্যা তুলে ধরে সরকারের দৃষ্টিকার্ষণ করব। বরাদ্দ নিয়ে যাতে সীমান্তের ভূখন্ড রক্ষা করা যায় সে বিষয়ে আমার চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।