=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরার শিক্ষক ও কর্মচারীর অনৈতিক কর্মকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন

| নিউজ রুম এডিটর ৪:২৪ অপরাহ্ণ | ০৯/১০/২০২৫ সাতক্ষীরা, সারাদেশ

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার টাউন শ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক জনাব সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জী ও স্কুলের আয়া জান্নাতুল ফেরদৌসের একটি অসামাজিক ও অনৈতিক অনৈতিক কর্মকান্ডের সুষ্ঠ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। বৃহস্পতিবার (৯অক্টোবর) বিদ্যালয়ের সম্মুখ সড়কে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে স্মারকলীপি প্রদান করা হয়৷

মানববন্ধনে অংশ নিয়ে বক্তব্য দেন বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্যে এমএ কাশেম, আবু তালেব বুলবুল, সিরাজুল ইসলাম, ফারুক মাহাবুবুর রহমান, বৈষম্য বিরোধী আন্দোনের দেবহাটা উপজেলার সাবেক আহবায়ক মোজাহিদ বিন ফিরোজ সহ আরও অনেকে।
এসময় বক্তব্যে বলেন, গত কয়দিন আগে ওই শিক্ষক ও আয়া স্থানীয় জনতার মাধ্যমে ধরা পড়ে এবং পুলিশ কর্তৃক তাদেরকে আটক করে আদালতে প্রেরণ করে। এ ঘটনা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে এবং চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি জাতীয় দৈনিকে সহ একাধিক স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

বিষয়টি স্থানীয় সাধারণ জনগণের মধ্যে তীব্র অশান্তি ও ব্যাপক ক্ষোভের সঞ্চার হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে শান্তি নিশ্চিত না করতে পারলে এলাকাবাসীর সঞ্চিত ক্ষোভযেকোনো সময় বিস্ফোরিত হতে পারে।

অভিযুক্ত শিক্ষক সঞ্জীব কুমার ব্যানার্জি ইতিপূর্বে একই অপরাধে একাধিকবার অভিযুক্ত হয় এবং অতীতে ম্যানেজিং কমিটির কাছে মুচলেকা দেওয়ার শর্তে স্বপদে তাকে চাকরি করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাই অভিযুক্ত সহকারী প্রধান শিক্ষক ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ শান্তি স্বরূপ স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তদন্ত কমিটির রিপোর্ট যেন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ হয় তা তদারকি করতে হবে। যেসব ব্যক্তিরা পূর্বে ঘটনা জানা সত্ত্বেও বিষয়টি ধামাচাপা দিয়েছে বা যথাযথ ব্যবস্থ্য নেইনি, তাদের ভূমিকা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে বলে দাবি করেন।

এদিকে এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন বিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় এলাকাবাসী।