=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিরাজদিখানে ৬ দফা দাবীতে স্বাস্থ্য সহকারীদের কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন, টিকাদান সেবা ব্যাহত!

| নিউজ রুম এডিটর ৬:১৪ অপরাহ্ণ | ০৬/১০/২০২৫ মুন্সীগঞ্জ, সারাদেশ

 

সিরাজদিখান প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন ষোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সারাদেশের ন্যায় মুন্সীগঞ্জ সিরাজদিখানে গত বুধবার থেকে অনিদিষ্টকালের কর্মবিরতি শুরু করেছেন স্বাস্থ্য সহকারীরা। উপজেলার ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৩০ জন স্বাস্থ্য সহকারী এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।রবিবার (৫ অক্টোবর) সকালে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে কর্মবিরতি কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলা শাখার সদস্যরা। সে সময় বাংলাদেশ হেলথ এসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন সিরাজদিখান উপজেলা শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কাদেরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুবার রহমানের সঞ্চালনায় কর্মবিরতি কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন,মুন্সীগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সমিতির সভাপতি এন ইসলাম তালুকদার, স্বাষ্থ্য পরিদর্শক মঞ্জু আক্তার,সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক জহিরউদ্দিন মিঞা,সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক বিল্লাল হোসেন,সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক আইরীন পারভীন,স্বস্থ্য সহকারী জহিরুল ইসলাম,সাংগঠনিক সম্পাদকসোহেল শেখ,কোষাদক্ষ সোহরাব হোসেন, স্বাস্থ্য সহকারী হিমাংসু রায়, আঃ হামিদ খান।

এসময় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।বক্তারা বলেন, আমরা বারবার শুধু আশার বাণী শুনেছি, দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছি। কিন্তু কোনো বাস্তব পদক্ষেপ পাইনি।

এবার দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মস্থলে ফিরবো না। তাদের মুল দাবি হলো, নিয়োগবিধি সংশোধন, শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিত্তিক বা সমমান সংযোগ, ১৪তম গ্রেড প্রদান, ইন-সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ এবং টেকনিক্যাল পদমর্যাদা প্রদান। পাশাপাশি পদোন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড প্রদান। এর আগে গত ২৮ সেপ্টেম্বর স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করে কর্মবিরতির ঘোষণা দেন তারা। তারা দ্রুত ৬ দফা দাবি বাস্তায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন।

এ কর্মবিরতির কারণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। যার কারণে অনেক মা ও শিশু নির্ধারিত সময়ে টিকা গ্রহণ করতে পারছে না।