• আজ ২৬শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

অনলাইনে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে

মোরেলগঞ্জে কাটিমন আম চাষে কৃষকের সফলতা,

| Peoples News ১২:০০ পূর্বাহ্ণ | ০৯/০৬/২০২৬ সারাদেশ

 

শেফালী আক্তার রাখি, মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার দৈবজ্ঞহাটী ইউনিয়নের খালকুলা গ্রামের কৃষক হালদার রুহুল মোমিন মুকুল বারোমাসি কাটিমন আম চাষ করে গোটা এলাকায় সাড়া ফেলেছেন। ছোটবেলা থেকেই লক্ষ্য ছিল চাকরি না খুঁজে নিজেই আত্মকর্মসংস্থান তৈরি করবেন। সেই স্বপ্নই আজ বাস্তবে রুপ নিলো। তাঁর বাগানের বিষমুক্ত সুস্বাদু আম এখন অনলাইনের মাধ্যমে পৌঁছে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

খালকুলা গ্রামে ২০২০ সালে তার পিতার দুই একর জমিতে এই আম বাগানের সূচনা করেন মুকুল। চুয়াডাঙ্গা থেকে প্রথমে ১০০টি কাটিমন আমের চারা এনে পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেন। প্রথম বছরেই সব খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভ করেন। সেই সফলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে আরও ২০০টি চারা রোপণ করেন। বর্তমানে তাঁর বাগানে গাছের সংখ্যা ৩০০টি। বিগত কয়েক বছরে ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত আম বিক্রি করেছেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানের প্রতিটি গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুলছে আম।বারোমাসি এই কাটিমন আম অত্যন্ত সুস্বাদু,মিষ্টি এবং এর আঁটি বেশ পাতলা। বাগান থেকে প্রতি কেজি আম বর্তমান সিজনে ১০০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছরে ৩০০টি গাছের পরিচর্যা, শ্রমিক মজুরি ও ওষুধ বাবদ মোট ১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এবার ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার আম বিক্রি করতে পারবেন বলে মুকুল আশা করেন।

সফল চাষি হালদার রুহুল মোমিন মুকুল বলেন,আমাদের এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে লবণাক্ততার কারণে আমের চাষ তেমন হতো না। তবে এখন মিষ্টি পানির জোগান দেওয়ায় কাটিমন চাষে দারুণ ফলন পেয়েছি। ক্রেতাদের হাতে বিষমুক্ত আম তুলে দিতে পেরে আমার আত্মতৃপ্তি হচ্ছে। অনেকেই বাগানে এসে নিজ হাতে আম পেড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও অনলাইনের মাধ্যমে এবং আমার মোবাইল: ০১৭১৪৫০৯৩৩৭ নাম্বারে যোগাযোগের মাধ্যমে কুরিয়ারেও আম পাঠানো হচ্ছে।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বাজারে কাটিমন আমের প্রচুর চাহিদা থাকায় এর দাম সাধারণ আমের চেয়ে একটু বেশি। উপজেলার খাউলিয়া ও বনগ্রামসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে ছোট ছোট বাগান হলেও, দৈবজ্ঞহাটীর খালকুলা গ্রামে কৃষক রুহুল মোমিন মুকুল বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ করে বাম্পার ফলন ফলিয়েছে,যা গোটা উপজেলায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

পি নিউজ আমচাষী