
উড়োজাহাজের ককপিটে সহকারী পাইলটের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছিলেন ভারতের পাইলট স্মিত মচ্ছার। কিন্তু আহত অবস্থাতেও ককপিটের দরজা খোলার চেষ্টা চালিয়ে যান তিনি। তাঁর এই তৎপরতায় প্রায় ১৭৪ জন যাত্রীর প্রাণ রক্ষা পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মিতের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আবুধাবির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই পাইলটকে নাকে টিউব এবং মাথা ও হাতে ব্যান্ডেজ নিয়ে মোদির সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত প্রায় ১০ মিনিটের ভিডিওতে স্মিত ওই দিনের ঘটনার বর্ণনা দেন। নিজের অভিজ্ঞতা বলতে গিয়ে কয়েকবার আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।
নিজের সেই ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বেশ কয়েকবার চোখ মোছেন মচ্ছার। তিনি বলেন, ‘আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি নিচের দিকে পড়ে যাচ্ছে…আমি মাটিতে পড়ে গিয়েছিলাম। আমি নিজেকে বলেছিলাম, দরজাটি ঠিক ওখানেই আছে, শুধু এটা খুলে দাও। আমি তা করতে পেরেছিলাম এবং লোকেরা ভেতরে ঢুকেছে।’
মচ্ছার বলেন, ‘আমি ১৭ বছর ধরে উড়োজাহাজ চালাচ্ছি, ১১ বছর ধরে ক্যাপ্টেন হিসেবে কাজ করছি। আমি জানতাম, উড়োজাহাজটি ভেঙে পড়ছে।’
পাইলট মচ্ছারের সাহসিকতার প্রশংসা করে মোদি বলেন, তার উপস্থিত বুদ্ধি অনেক প্রাণ বাঁচিয়েছে এবং ভারতীয় পাইলটদের সুনাম রক্ষা করেছে।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুবাই থেকে ইসরায়েলের তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে কথিত হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় উড়োজাহাজটিতে ১৭৪ জন আরোহী ছিলেন।
ঘটনার সময় উড়োজাহাজটি ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে প্রায় ১৪ হাজার ফুট নিচে নেমে যায় বলে জানা গেছে। এর মধ্যেই স্মিত মচ্ছারকে তার সহকারী পাইলট ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান























