=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে শিলা বৃষ্টিতে তছনছ ফসলের মাঠ

| নিউজ রুম এডিটর ৭:২৭ অপরাহ্ণ | ১০/০৪/২০২২ ঠাকুরগাঁও, সারাদেশ

মো: রেদওয়ানুল হক মিলন , ঠাকুরগাঁও: চৈত্রের শেষ দিকে ঠাকুরগাঁও জেলার ওপর দিয়ে বয়ে গেছে ঝড়ো হাওয়া। সেই সঙ্গে ছিল শিলাবৃষ্টি। এতে শিলাবৃষ্টি যেন তাণ্ডব চালিয়েছে ফসলি ক্ষেতে। রবিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে শিলার আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ফসলের।

পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী, রুহিয়ায় প্রায় আধা ঘন্টার শিলা বৃষ্টির দাপটে আম, লিচু, তরমুজ, ভুট্টা, গম, ধান, জামসহ উঠতি মৌসুমী ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টিতে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে বলে দাবিকৃষকদের। এছাড়া গাছপালা ও অনেক ঘর-বাড়ি ভেঙ্গে পড়ে গেছে। জেলার বিভিন্ন স্থানে বৈদ্যুতিক তার ছিড়ে গিয়ে বিদ্যুৎ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে।

তবে ক্ষতি নিরুপণে মাঠে নেমেছে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তারা বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার লাহিড়ী এলাকার মরিচ চাষী ফরিদুল ইসলাম জানান, কয়েকদিন পরই মরিচ তোলার কথা ছিলো তার। কিন্তু শিলা বৃষ্টিতে দুই বিঘা জমির মরিচ ঝড়ে পড়েছে তার। প্রতিবছর মরিচ বিক্রি করেই তিনি সংসারের সিংহভাগ খরচ বহন করে থাকেন।

বাগান ব্যবসায়ী খাদেমুল ইসলাম বলেন, সাড়ে তিনশ গাছের আমের গুটি ও পাতা ঝড়েগেছে। আমি একদম পথে বসে গেলাম। এর আগে ঠাকুরগাঁও সদরের শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিলাম। সে ধকল সামলাতে না সামলাতেই আবারও শিলাবৃষ্টি আমার সবকিছু সর্বমান্ত করে দিয়েছে। গাছে যেসব আমের গুটি আছে তা দিয়ে আর কোন স্বপ্ন দেখতে চাইনা।।

রানীশংকৈলের লেহেম্বার ভূট্টাচাষী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ভূট্টার মাঠ বিধ্বস্ত হয়েগেছে। ভূট্টার মোচাগুলো পাথরের আঘাতে ভেঙ্গে পড়েছে। গাছগুলো ভেঙ্গে শুয়েগেছে। আমি ৭ বিঘা জমিতে ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়েছি প্রায় তিন লাখ টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন জানান, আকস্মিক শিলা বৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতির হওয়ার সম্ভাবনার সত্যতা স্বীকার করলেও তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ জানাতে পারেননি। তবে তিনি বলেন, কি পরিমাণ জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তা নিরুপনে তিনি সহ কৃষি কর্মকর্তারা মাঠে রয়েছেন।