=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সীতাকুণ্ডে নিহত এখন ৪১, আগের তথ্য ভুল : প্রশাসন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরণে হতাহতের তথ্য সংশোধন করেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ। প্রশাসন বলছে, সীতাকুণ্ডে নিহতের প্রকৃত সংখ্যা এখন ৪১, আগের তথ্য ভুল ছিল।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমান সোমবার দুপুরে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কিছু মরদেহ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়েছিল। সেখানে একবার গণনা করা হয়। আবার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও সেগুলো গণনা করা হয়। যে কারণে সংখ্যা বেড়ে ৪৯ হয়ে গিয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘পরে সব মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মরদেহ পাওয়া গেছে। তাই মৃতের প্রকৃত সংখ্যা ৪১।
তিনি জানান, এরপর আর কোনো মরদেহ উদ্ধার হলে তা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রাখা হবে।

অপরদিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ৪১ জনের লাশ পাওয়া গেছে। তাই নিহত মানুষের সংখ্যা ৪১।’

গতকাল রবিবার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মমিনুর রহমান ও সিভিল সার্জন মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী নিহত মানুষের সংখ্যা ৪৯ বলে জানিয়েছিলেন। তবে পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে এই দুই সংস্থাও এখন নিহত মানুষের সংখ্যা ৪১ বলে জানাল।

সিভিল সার্জন বলেন, নিহতের সংখ্যা এখন থেকে ৪১। আগেরটা ভুল ছিল। এর আগে সোমবার সকালে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আনোয়ার হোসেন হাসপাতালে সংবাদমাধ্যমকে বলেন, নিহত মানুষের সংখ্যা ৪১।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার রাতে লাগা আগুনের ফলে একটি কনটেইনারে রাসায়নিক থাকায় রাত পৌনে ১১টার দিকে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে ঘটনাস্থল থেকে অন্তত ৪ কিলোমিটার এলাকা কেঁপে ওঠে। আশপাশের বাড়িঘরের জানালার কাচ ভেঙে পড়ে।

নিহত ৪১ জনের মধ্যে অধিকাংশের পরিচয় এখনো মেলেনি। সেই পরিচয় নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম মেডিকেলের সামনে চলছে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ। সোমবার দুপুর পর্যন্ত ১৬ পরিবারের ৩০ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএর নমুনা সংগ্রহে চুল, রক্ত ও লালা নেয়া হচ্ছে স্বজনদের। তবে মরদেহগুলোর পরিচয় জানতে অপেক্ষা করতে হবে ১ মাস। এই সময়ে মরদেহগুলো ফ্রিজারে সংরক্ষণ করা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পর স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হবে মরদেহগুলো।