• আজ ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক |

সিলেট ওসমানী মেডিকেলে বন্যার পানি, বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ

বন্যার কারণে নাজুক সিলেটের পরিস্থিতি। এর মধ্যেই অবিরাম বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। কয়েক ঘণ্টার বর্ষণে সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পানি ঢুকেছে।

শনিবার দুপুর ১২টার দিকে হাসপাতাল প্রাঙ্গণ থেকে নিচতলার ওয়ার্ডগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করে। হাসপাতালের জেনারেটরে পানি প্রবেশ করায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় হাসপাতালের অস্ত্রোপচার বিভাগ ও নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) চিকিৎসাব্যবস্থা বিঘ্ন হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, হাসপাতালের জরুরি বিভাগসহ নিচতলায় হাঁটু সমান পানি। একই সঙ্গে হাসপাতালের কেন্দ্রীয় জেনারেটরও পানির নিচে। ফলে হাসপাতালের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এ কারণে জরুরি অপারেশন, আইসিইউ ও সিসিইউর রোগীদের নিয়ে বিপাকে আছি।

নিজের অফিস কক্ষেও হাঁটু সমান পানি জানিয়ে হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, নিচতলায় সার্জারি, নবজাতক শিশুদের বিশেষায়িত ওয়ার্ড স্কেনো, প্যাথলজি বিভাগ, জরুরি বিভাগ, মেডিসিন বিভাগ, প্রিজন ওয়ার্ড, এমআরআই, সিটি স্ক্যান মেশিন কক্ষেও পানি ঢুকেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় হাসপাতালের রক্ত পরিসঞ্চালন বিভাগের প্রায় ১৫০ ব্যাগ রক্ত নষ্ট হওয়ার উপক্রম। ফ্রিজ নিচ থেকে উপরে তোলা হলেও বিদ্যুৎ না থাকায় রক্তগুলো জমাট বাঁধতে শুরু করছে।

মাহবুবুর রহমান বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক হলেও হাসপাতালের সার্ভারলাইন পানির নিচে থাকায় বিদ্যুৎ চালু করা যাচ্ছে না। তাই বিশেষ ব্যবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে কয়েকটি ছোট ছোট জেনারেটর দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র, বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসককে অনুরোধ জানিয়েছি।