• আজ ২রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

জননিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটলে দায়ভার বিএনপির: কাদের

| নিউজ রুম এডিটর ৪:০৯ অপরাহ্ণ | জুলাই ২৬, ২০২৩ আওয়ামী লীগ, রাজনীতি

আন্দোলনের নামে কোনোভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট হলে এবং জননিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটলে তার দায়ভার বিএনপিকে নিতে হবে বলে সতর্ক করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বুধবার এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আমরা বিএনপিকে এই ষড়যন্ত্র অপকৌশল থেকে ফিরে এসে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানাই। তা না হলে আন্দোলনের নামে কোনো ধরনের সন্ত্রাস ও সহিংসতা সৃষ্টি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তা মোকাবিলা করবে।’

তিনি বলেন, ‘কোনোভাবে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বিনষ্ট হলে এবং জননিরাপত্তার বিঘ্ন ঘটলে তার দায়ভার বিএনপিকে নিতে হবে।’

এ সময় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক বক্তব্যের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।

বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের বলেন, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, বিএনপির রাজনীতির মূল হাতিয়ার হলো সন্ত্রাস ও মিথ্যাচার। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে ভুলুণ্ঠিত করে অসাংবিধানিক ও অবৈধ পন্থায় রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে ত্রাস সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের টুঁটি চেপে ধরে।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সর্বদাই গণচেতনার বিপরীতে পথ চলা রাজনৈতিক অপশক্তি। বিএনপি ও তার দোসররা বার বার এদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। জনমনে ভীতির সঞ্চার করে জনগণকে জিম্মি করে যে কোনো উপায়ে ক্ষমতা দখলই বিএনপির একমাত্র লক্ষ্য।’

বিএনপির মুখে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের কথা ভূতের মুখে রাম নাম ছাড়া আর কিছু নয় মন্তব্য করে কাদের বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র হত্যাকারী বিএনপির নেতারা গণতন্ত্রের মুখোশ পরে জনগণের সামনে দাঁড়াচ্ছে। মুখোশের আড়ালের মুখগুলোকে জনগণ ভালোভাবেই চেনে। তাই বিএনপির কোনো আহ্বানে জনগণ সাড়া দেয়নি এবং আগামীতেও তারা জনগণের কোনো সমর্থন পাবে না।

বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, বিএনপির তথাকথিত আন্দোলনের নামে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভণ্ডুল করার পাঁয়তারা করছে। জনগণ দ্বারা বার বার প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিএনপি নির্বাচনে আসতে ভয় পায়। দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে, বিগত দিনগুলোতে নির্বাচন ও নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করাই ছিলো বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক এজেন্ডা।

‘আর এ লক্ষ্যে তারা তাদের সন্ত্রাসী ও ক্যাডারবাহিনীকে লেলিয়ে দিয়ে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ বিনষ্ট করার অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। একই সাথে সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করছে এবং সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির উস্কানি দিচ্ছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসবে বিএনপির সন্ত্রাসী অপতৎপরতা তত বৃদ্ধি পাবে।’

বিএনপি এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পুনরাবৃত্তি ঘটানোর চক্রান্ত করছে মন্তব্য করেন তিনি।