• আজ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

হিরো আলমকে নির্বাচনে ‘সহযোগিতা’, মুখ খুললেন ব্যারিস্টার পার্থ

| নিউজ রুম এডিটর ৩:১৭ অপরাহ্ণ | আগস্ট ৩, ২০২৩ রাজনীতি

ঢাকা-১৭ আসনে সম্প্রতি উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। নির্বাচনের আগে এ আসনে হিরো আলমের নির্বাচন করা নিয়ে উঠেছিল নানা প্রশ্ন।

ওই সময় গুঞ্জন উঠেছিল ‘হিরো আলম নিজে থেকে ভোটে দাঁড়াননি, তাকে দাঁড় করানো হয়েছে। একই সঙ্গে গুঞ্জন ওঠে হিরো আলমকে নির্বাচনের বিষয়ে সহযোগিতা করছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। তিনি হিরো আলমকে স্বাক্ষর সংগ্রহে সহযোগিতা করেছেন। এমনকি ২০ লাখ টাকা দেওয়ারও গুঞ্জনও ওঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে এ বিষয়ে হিরো আলম মুখ খুললেও ব্যারিস্টার পার্থকে এতোদিন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে দেখা যায়নি।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন টকশোতে অংশ নিয়েছিলেন বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। সেখানে হিরো আলমকে সহযোগিতা করার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে পার্থ বলেন, যারা ঢাকা-১৭ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল, তাদের মধ্যে অনেকেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

হিরো আলমও আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলেছে। সে (হিরো আলম) আমাকে বলেছে, ভাই আমি এখানে নির্বাচন করতে চাই। আমি ভেবে দেখলাম ছেলেটার নির্বাচন করার আগের অভিজ্ঞতা আছে। ফলে খুব একটা নেতিবাচক মনোভাব আসেনি। তবে আমি তাকে খোলাখুলি বলে দিই— আমি নির্বাচনে প্রকাশ্য সহযোগিতা করতে পারব না। বিএনপি ছাড়ার কারণই ছিল যে, বিএনপি ২০১৮ সালে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পার্লামেন্টে গেছে। এতে আমি সাপোর্ট করিনি। আমি এ নির্বাচনে যাব না এবং এ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছি না। শুধু একটা কারণ— নৈতিকভাবে চিন্তা করি, এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন সম্ভব না।

এ সময় পার্থ আরও বলেন, আমি হিরো আলমকে বলেছি যে, আমার দলের কেউ যদি আপনার কাজ করে বা ভলেন্টিয়ার হিসেবে যায়, সে ক্ষেত্রে আমি কিছু মনে করব না এবং বাধা দেব না। কিন্তু আমার দলের পক্ষ থেকে কোনো ব্যানার, ফেস্টুন বা মিটিং মিছিল থাকবে না এবং আমিও সেটাতে থাকব না।

ঢাকা-১৭ উপনির্বাচন কেমন হয়েছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের হিরো আলমকে ধন্যবাদ দেওয়া উচিত। কারণ হিরো আলম না দাঁড়ালে ৫% ভোটও পড়ত না।