• আজ ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন |

১৫ আগস্টের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার তদন্ত চলছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: সারজিস

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেছেন, ১৫ আগস্ট যেসব অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, এর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেউ জড়িত থাকলে তাকে বহিষ্কার করা হবে। আজ শুক্রবার (১৬ আগস্ট) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

সারজিস বলেন, ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নাম্বারসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে, তার তদন্ত চলছে। এমন কাজের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কোনো সমন্বয়ক থাকলে তাকে বহিষ্কার করা হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের মতো কাজ করেছে তারা।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ক এক প্রশ্নে সারজিস বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ করার অধিকার কারও নেই। বিগত ১৬ বছর গণমাধ্যমকে সত্য বলতে দেয়া হয়নি। গতকাল গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এরা আমাদের কেউ নয়।

তিনি বলেন, ১৫ আগস্ট রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক দিবস পালন করা উচিত নয়। তবে কেউ যদি শোক প্রকাশ করতে চায়, ফুল দিতে চায়, সেখানে বাধা দেয়াও উচিত নয়। সারজিস যোগ করেন, এখন অনেক ভুয়া সমন্বয়ক দল তৈরি হয়েছে। যার সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই।

সমন্বয়ক সারজিস আরও বলেন– বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, জিয়াউর রহমান; তারা সম্মানিত মানুষ। তাদের সম্মান দিতে হবে। শোক প্রকাশে বাধা কোনোভাবেই সমর্থন করে না বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

সারজিস আলম বলেন, সড়কে ট্রাফিক পুলিশ দায়িত্ব পালন শুরু করেছে। এখন আর ট্রাফিকের কাজ শিক্ষার্থীদের করার প্রয়োজন নাই। শিক্ষার্থীদের প্রতি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্পষ্ট বার্তা– আপনারা আর সড়কে থাকবেন না। এখন সময় এসেছে পড়ার টেবিলে ফিরে যাওয়ার।