=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংক ঋণের সুদহার ও বিদ্যুৎ বিল কমানোর দাবি

| নিউজ রুম এডিটর ৬:৩০ অপরাহ্ণ | ০৮/০২/২০২৫ জাতীয়, লিড নিউজ

হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া কমিয়ে আনতে ব্যাংক ঋণের সুদের হার ও বিদ্যুৎ বিল কমানোর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে আলু চাষকারী কৃষকদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য হিমাগার শিল্পকে কৃষিভিত্তিক শিল্প ঘোষণার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার রাজধানীর অ্যাসোসিয়েশনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। এ সময় লিখিত বক্তব্য দেন অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু।

তিনি বলেন, দেশে ২০২৪ সালে চাহিদার তুলনায় কম আলু উৎপাদন হওয়ায় আলুর বাজার মূল্য বেশি ছিল। গত বছর আলুর বাজারদর বেশি থাকায় এবছর সারা দেশে কৃষকরা ব্যাপকভাবে আলু চাষ করেছেন। যা গত ২০২৪ সালের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ বেশি। ইতোমধ্যে নতুন আলু বাজারে এসেছে। আর বর্তমানে হিমাগারের পরিচালনার জন্য গৃহীত ব্যাংক ঋণের সুদের হার বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সঠিক সময়ে কিস্তি প্রদান করতে না পারলে জরিমানা ২ শতাংশসহ মোট ১৭ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে।

মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিল, লোডিং-আনলোডিং ও বস্তা পরিবর্তন খরচ, ন্যূনতম মজুরি বোর্ড ঘোষিত স্টাফদের বর্ধিত বেতনভাতা, বোনাস, সম্মানি, হিমাগারের ইন্স্যুরেন্স, অ্যামোনিয়া গ্যাস, লুব্রিকেন্ট অয়েল খরচ, হিমাগারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও মেরামত খরচ, অন্যান্য আনুসাঙ্গিক খরচও বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব খরচগুলো বিশ্লেষণ করে ২০২৫ সালে হিমাগারে আলু সংরক্ষণে কেজিপ্রতি ভাড়া দাঁড়ায় ৯ টাকা ৬২ পয়সা। এর সঙ্গে আরও অনেক খরচ আছে, যা যোগ করলে প্রতি কেজি আলুর ভাড়া দাঁড়াবে প্রায় ১২ টাকা। দেশের আলু চাষকারী কৃষক এবং হিমাগারে আলু সংরক্ষণকারী ব্যবসায়ীদের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ কোল্ড স্টোরেজ অ্যাসোসিয়েশনের গত ২৩ নভেম্বর কার্যনির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে আর্থিক বিশ্লেষণে কেজিপ্রতি ভাড়া ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক ২০১৭ সালে ৫০ কেজি আলুর বস্তা হিমাগারে সংরক্ষণ করা হলেও পর্যায়ক্রমে ২০১৯ সাল থেকে প্রতি বছর ৫৫ কেজি ও ২০২৪ সালে ৭০-৭২ কেজি আলু বস্তায় ভরে হিমাগারে সংরক্ষণ করা হয়েছে। ২০২৪ সালে অ্যাসোসিয়েশন নির্ধারিত হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া ছিল কেজিপ্রতি ৭ টাকা। সে হিসাবে ৫০ কেজির বস্তার আলু ভাড়া ৩৫০ টাকা। আলু সংরক্ষণকারীরা ৭০ থেকে ৭২ কেজি ওজনের বস্তার ভাড়া ৩৫০ টাকা দিয়ে হিমাগার থেকে আলু বের করেছেন। ফলে হিমাগার মালিকরা প্রতি বস্তায় ১৫-২২ কেজি আলুর ভাড়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে হিমাগারের আলু ধারণক্ষমতা প্রায় ২০-২৫ শতাংশ কমে গেছে।গড়ে ১০ হাজার মেট্রিক টনের একটি হিমাগারের প্রায় দেড় কোটি থেকে ২ কোটি টাকার মতো আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ফলে দেশের চারশ হিমাগারের মধ্যে প্রায় তিনশ হিমাগার সময়মতো ব্যাংক ঋণ পরিশোধ করতে পারছে না। সঙ্গে অন্যান্য পরিচালনা ব্যয় মেটাতে না পেরে রুগ্ন হিমাগারে পরিণত হয়েছে। বেশ কিছু হিমাগার ঋণখেলাপিতে পরিণত হয়েছে।