=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কন্যাসন্তান হয়েছে তাই শ্বশুরবাড়িতে মিষ্টির পরিবর্তে কার্টুনে ইটের গুঁড়া পাঠিয়েছে 

| নিউজ রুম এডিটর ৪:৪৪ অপরাহ্ণ | ১৫/০৬/২০২৫ কুড়িগ্রাম, সারাদেশ

 

হুমায়ুন কবির সূর্য, কু‌ড়িগ্রাম:কন্যাসন্তান জন্ম দেওয়ায় শ্বশুরবাড়িতে উপহার হিসেবে মিষ্টির পরিবর্তে কার্টুনে মাটি ও ইটের গুঁড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জামাই মোকছেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে এ ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৪ জুন) এ ঘটনা জানাজানি হয়।

জানা গেছে, উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের বড় ধনতোলা এলাকার সাহেব আলী ওরফে সব্দুল হকের ছেলে মোকছেদুল ইসলামের সঙ্গে একই ইউনিয়নের কাজাইকাটা গ্রামের আফতার আলীর মেয়ে আছমা খাতুনের বিয়ে হয়। বিয়ের এক বছর পর তাদের ঘর আলো করে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়।

সন্তান জন্মের সংবাদ পেয়ে স্বামী মোকছেদুল ইসলাম বুধবার (১১ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় শ্বশুরবাড়িতে যান। এ সময় শাশুড়ির হাতে একটি মিষ্টির কার্টুন ধরিয়ে দেন। পরে মিষ্টিমুখ করার জন্য শাশুড়ি কার্টুন খুলে দেখতে পান সেখানে কোনো মিষ্টি নেই, আছে মাটি ও ইটের গুঁড়া।

এ বিষয়ে স্ত্রী আছমা আক্তার জানান, বিয়ের পর থেকে আমার স্বামী আমাকে নির্যাতন করতেন। মাঝেমধ্যে আমার পরিবারের কাছে টাকা চাইতেন। আমরা গরিব মানুষ, তাই টাকা দিতে পারিনি। এদিকে আমার গর্ভে সন্তান এসেছে, এ খবর জানার পর আরও বেশি নির্যাতন করতেন। তিনি বলতেন, ছেলে হলে সুখ পাবে, আর মেয়ে হলে দুঃখ পাবে।

আছমা আরও বলেন, পরে আমার মেয়ে সন্তান জন্ম হয়। এ সংবাদ পেয়ে আমার স্বামী আমাদের বাড়িতে মিষ্টির কার্টুন নিয়ে হাজির হন। বাড়ির লোকজন ও পাড়া প্রতিবেশীকে মিষ্টি দিতে গেলে কার্টুনের মধ্য মাটি ও ইটের গুঁড়া পাওয়া যায়।

বিষয়টি অস্বীকার করে মোকছেদুল ইসলাম জানান, আমার কন্যাসন্তান জন্ম হওয়ার কথা শুনে আনন্দে শ্বশুরবাড়িতে এক কেজি মিষ্টি ও মেয়ের জন্য পোশাক নিয়ে গিয়েছিলাম। এখন শ্বশুরবাড়ির লোকজন মিষ্টির কার্টুনে নাকি মাটি ও ইটের গুঁড়া দেখছে। এগুলো সব সাজানো।

তিনি বলেন, আমার স্ত্রীকে কখনো কোনো নির্যাতন করিনি। যারা এসব বলছে আল্লাহ তাদের বিচার করবে।
এ ব্যাপারে দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবু সাঈদ বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছুই জানা নেই। তবে খোঁজখবর নিয়ে জানা যাবে আসলে ঘটনাটি কী ঘটেছিল।