• আজ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 বিমান বিধ্বস্ত ঢাকায় এসেছেন ভারতের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল | ড. ইউনূসের স্বজনপ্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা : হাসনাত আবদুল্লাহ | বার্ন ইনস্টিটিউটে ৮ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, গুরুতর ১৩ | যে ১০ দলের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা | নিজের প্রাণ বিলিয়ে শিক্ষার্থীদের বাঁচানো সেই মাহরিন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাতিজি | মাইলস্টোন স্কুলের ঘটনায় ৩১ জন নিহত; ইবিতে গায়েবানা জানাজা | বিমান বিধ্বস্তে নিহতদের জন্য উত্তরার ১২-এ কবরের জায়গা নির্ধারণ | বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীরা সচিবালয়ে ঢুকে পড়েছেন | শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ | উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ |

ঠাকুরগাঁওয়ে ভূমিদস্যু ও দুষ্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

| নিউজ রুম এডিটর ১২:১১ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২৩, ২০২১ ঠাকুরগাঁও, সারাদেশ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলার বাচোর ইউনিয়নে ভূমিদুস্যু ও দুস্কৃতিকারীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বৃহস্প্রতিবার (২৩ডিসেম্বর) বেলা ১১ টায় ওই ইউনিয়নের আলসিয়ার বাজারে কাটাবাড়ি লায়েক জঙ্গল শ্মশান কমিটির উদ্যোগে ভূমিদস্যু ও দুষ্কৃতিকারীদের হাত থেকে শ্মশানঘাট রক্ষা পেতে এলাকাবাসী মানববন্ধন করেন।

বক্তারা বলেন, আমরা প্রায় ৫০ বছর ধরে আমাদের দাদা- বাবা- মায়েদের এ শ্মশানে সৎকার করে আসছি। হঠাৎ শামসুল, নুরুল, আবুল মন্ডল সামাদ নামের কিছু ভূমিদস্যু জাল কাগজ তৈরি করে এই শ্মশানকে নিজেদের ক্রয়কৃৎ সম্প্তি বলে দাবী করছে। আমাদের কেউ মারা গেলে সেখানে তারা মৃতদেহ দাহ করতে দেয় না। প্রতিবাদ করতে গেলে উল্টো মারধর করে এবং নানা প্রকার ভয়ভীতি দেখায় আর বলে তোরা হিন্দুরা এখানে থাকবি কেন ভারত চলে যা। তাদের হাত থেকে রক্ষা পেতে প্রশাসনের সহায়তা চান এলাকাবাসী।

কাটাবাড়ি লায়েক জঙ্গল শ্মশান কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র বলেন, এই শ্মশানে অনেক মানুষকে সৎকার করা হয়েছে। কালিমাতা মন্দিরে আমরা পূজা করি। প্রায় ২০টি মতো গ্রাম এই শ্মশানেই মৃতদেহ দাহ করি। আমাদের আর কোন শ্মশান নাই। কেউ মারা গেলে আমরা কথায় তাদের মৃতদেহ দাহ করব। তাই সরকারের কাছে অনুরোধ করছি আমাদের আগের শ্মশানটি যেন ফেরতের ব্যবস্থা করে দেয়।

অন্যদিকে শ্মশান দখলের ব্যাপারে সামসুল ও নুরুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কথা না বলে এড়িয়ে যায়।

এ সময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ রাণীশংকৈল উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক সাধন কুমার বসাক, শ্মশান কমিটির সভাপতি খগেন্দ্র নাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক সুরেশ চন্দ্র রায়সহ হিন্দু সম্প্রদায়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জিতেন্দ্রনাথ প্রতিবেদকের সাথে কথা বলতে রাজী হননি।

এবিষয়ে রাণীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির বলেন, শ্মশান নিয়ে সমস্যা এমন একটি ঘটনা আমি শুনেছি। তদন্ত না করে এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না।