• আজ ২৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির |

পটুয়াখালী ইয়াবা দিয়ে মানবতা দেখাতে গিয়ে নিজেই ফেঁসে গেলো, মানবতার ফেরিওয়ালা।

| নিউজ রুম এডিটর ৮:০৭ অপরাহ্ণ | ২৩/০২/২০২২ পটুয়াখালী, সারাদেশ

আব্দুল আলীম খান পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষক হাসানুজ্জামান হাসানকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসাতে গিয়ে ধরা খেলেন তিন যুবক।
বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়। আটকরা হলেন- মো. মাছুম গাজী (৩০), মো. আসাদুজ্জামান তুহিন (২৪) ও মো: মেহেদী হাসান শিবলী (২৮)।
মাছুম গাজী পটুয়াখালী পৌর শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইউসুফ গাজীর ছেলে, মো. আসাদুজ্জামান তুহিন পল্লী বিদ্যুৎ এলাকার মো. মোতাহার হোসেনের ছেলে, মো. মেহেদী হাসান শিবলী স্বাধীনতা সড়কের মো. জসিম উদ্দিনের ছেলে।

মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানান, মঙ্গলবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিসাবরক্ষকের কক্ষ থেকে ১১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। পরে পুলিশ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে মাঠে নেমে মাছুম গাজী নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে তার স্বীকারোক্তি মূলে বাকি আরও দু’জনকে আটক করে।

পটুয়াখালী জেলা পুলিশের বিশেষ টিম আটক মাছুম গাজী কে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এক পর্যায়ে জানায় সে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের আউট সোসিং এ নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মচারী ছিল। পরবর্তী সময়ে চাকুরীচ্যুত হওয়ায় সে উক্ত হাসপাতালের হিসাবরক্ষন কর্মকর্তা জনাব মোঃ হাসানুজ্জামান এর উপর ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে মাদকের মামলায় ফাসানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। পরিকল্পনার অংশ হিসাবে উক্ত ১১০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট মাদক কারবারি জনৈক সবুজ নামক ব্যক্তির নিকট হতে ৩০,০০০/-টাকায় ক্রয় করে নিজেই।