• আজ ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন |

মুকুলে ছেয়ে গেছে এশিয়ার বৃহত্তম আমগাছ

| নিউজ রুম এডিটর ৪:২৯ অপরাহ্ণ | ১৯/০৩/২০২২ ঠাকুরগাঁও, সারাদেশ

মো: রেদওয়ানুল হক মিলন, ঠাকুরগাঁও: মুকুলে মুকুলে ছেয়ে গেছে আমগাছটি। মুকুলের ভীড়ে চোখেই পড়ছে না গাছের পাতা। আমের শাখায় শাখায় বাতাসে নেচে উঠছে সেই মুকুলদল। বাতাসে মিশে সৃষ্টি করছে মৌ মৌ গন্ধ।

ঠাকুরগাঁওয়ের বালীয়াডাঙ্গী উপজেলার আমজানখোর ইউনিয়নের হরিণমারী সীমান্তে মন্ডুমালা গ্রামে সূর্য্যপরী আমগাছটির অবস্থান। গাছটি ৩ বিঘা জমি জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে। অসংখ্য ইতিহাসের নীরব সাক্ষী প্রাক ঐতিহাসিক যুগের প্রাচীন এই সূর্যপুরী আম গাছ। উত্তরের শান্ত জনপদের নিরব সাক্ষী এই গাছটির ডালপালা দৈর্ঘ্য প্রায় ৯০ ফিট। গাছটির বয়স কত তা ঠিক করে বলতে পাড়ছেন না কেউ । তবে এলাকার বেশির ভাগ মানুষ এক মত যে প্রায় ২০০ বছরের কম নয়।

এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় আমগাছ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে গাছটি। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে নিজ চোখে আমগাছটি দেখার জন্য ছুটে আসছেন দর্শনার্থীরা৷ গাছকে দেখেই ডালের উপরে ওঠে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গিতে ছবি তুলছেন তারা। শিশু থেকে শুরু করে বয়োবৃদ্ধ দর্শনার্থীরাও গাছের ডালের উপরে উঠে ছবি তুলে মনের স্বাদ মিটানোর চেষ্টা করছেন।

দর্শনার্থী নুসরাত তামান্না ও রাগিব নুর রোহান জানান, জীবনে প্রথম এত বড় আম গাছ দেখলাম। এটি সবচেয়ে বড় আমগাছ এশিয়ার মধ্যে এতে কোন সন্দেহ নেই। রাজশাহী থেকে আমরা গাছটি দেখতে এসেছি। এতদূর থেকে আসার পর অবশ্যই বিশ্রাম ও খাবারের প্রয়োজন। কিন্তু এখানে সেটি ব্যবস্থা নেই। এখানে একটি রেস্ট হাউজ, ভাল মানের রেস্টুরেন্ট এবং একটি মানসম্মত ওয়াসরুম স্থাপন করা জরুরী। এতে করে দর্শনার্থীরা উপকৃত হবে।

মালিকপক্ষের একজন মোল্লা সাহেব বলেন, এখানে জমির খাজনা, সরকারি ট্যাক্সের কারনে ভিতরে দর্শনার্থী প্রবেশ বাবদ বিশ টাকা নেওয়া হয়। এখানে বিধিনিষেধ দেওয়া হলেও মানুষ মানেনা ৷ আর গতবছরের চেয়ে এ বছর মুকুল অনেক বেশী দেখা যাচ্ছে ৷ গতবছর পঞ্চাশ মণ আম পেয়েছি। এ বছর যে হারে মুকুল আশা করছি তিনশ মণ আম পাব।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবার মুকুল অনেক ভালো এসেছে গাছে। আমরা কৃষদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। আর আম গাছটি ঘিরে পর্যটন কেন্দ্র করার জন্য আমরা চেষ্ট করে যাচ্ছি।