
চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে হাজারের বেশি ছাত্র-জনতাকে বিনা বিচারে হত্যা, গুম, খুন, ক্রসফায়ার ও হেলিকপ্টার থেকে গুলিসহ সব অপকর্মের নিউক্লিয়াস ছিলেন শেখ হাসিনা। তাই তাকে দেশে এনে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশনের এক টকশোতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার পতনের মাস জুলাই মাস। এ মাসেই আবু সাঈদকে খুন করেছিল হাসিনার প্রশাসন। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থীকে হাসিনা প্রশাসন কর্তৃক গুলির ভিডিওটি বেসরকারি টেলিভিশনে লাইভ টেলিকাস্ট হয়েছিল, এতেই দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ রাস্তায় নেমে গণ-অভ্যুত্থান সংগঠিত করলে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছে আওয়ামী লীগসহ তাদের সহযোগীরা।
তিনি বলেন, আমি সবসময়ই আশাবাদী। যে হতাশা তৈরি হয়েছে, তবু আমি হতাশ হতে চাই না। শহীদ আবু সাঈদরা দল অথবা ক্ষমতা বদলানোর জন্য জীবন দেয়নি। সরকারের উচিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করা। জুলাই বিপ্লবটা সংবিধান মেনে হয়নি। চব্বিশের জুলাইয়ে গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা প্রশাসনের নির্বিচার গুলিবর্ষণে প্রাণ হারিয়েছে হাজারেরও বেশি ছাত্র-জনতা। রাষ্ট্রীয়ভাবে যতটা শ্রদ্ধাভরে এটি পালন করার দরকার ছিল, সেভাবে পালন করা হয়নি।জুলাই সনদের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, জনগণের অভিপ্রায়ই রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর জনগণ চেয়েছিল এই সংবিধান (বাহাত্তরের লিখিত সংবিধান) আমাদের চাহিদা পূরণ করতে পারবে না। তাই গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কারের পক্ষে জনগণ স্বতঃস্ফূর্ত ভোট প্রদান করে।


















