• আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বইমেলার সময় বাড়ানোর ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

| নিউজ রুম এডিটর ৬:৩৪ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২ জাতীয়, বাংলাদেশ, লিড নিউজ

অমর একুশে গ্রন্থমেলার সময় বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এ মেলা মার্চ মাস পর্যন্ত চলতে পারে।বইমেলার সময় বাড়ানোর ইঙ্গিত প্রধানমন্ত্রীর

মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) অমর একুশে গ্রন্থমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাধারণত বইমেলা আমরা এক মাসের জন্য করতাম। কিন্তু এবার করোনার কারণে মেলা দেরিতে শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় এটা আমরা একমাস চালাতে পারি।

তিনি বলেন, প্রকাশকদের পক্ষ থেকেও একটা অনুরোধ এসেছে যে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ১৭ মার্চ, আমরা তাই মার্চ মাস পর্যন্ত মেলা চালাতে চাই। আমিও মনে করি মেলা আমরা একমাস চালাতে পারি। তবে সেটা আপনারা নিজেরাও বিবেচনা করবেন।

মেলার উদ্বোধনী ভাষণে শেখ হাসিনা বলেন, আসলে বইমেলা শুধু বইমেলা না, এটা একটা মিলনমেলা। তবে আমারা দুঃখ হচ্ছে করোনার কারণে আমি ঘরবন্দী। আপনাদের মধ্যে উপস্থিত থাকতে পারলাম না, সবার সঙ্গে দেখা হলো না। এছাড়া আমরা অনেক আপনজনদের হারিয়েছি, এটাও একটা দুঃখের বিষয়।

চলবেন। যারা টিকা নেননি, তারা টিকা নিয়ে নেন। যাদের দুটি ডোজ নেওয়া হয়ে গেছে তারা বুস্টার ডোজ নেবেন। অর্থাৎ সকলেই টিকা নেবেন। টিকা নেওয়া থাকলে সবাই সুরক্ষিত থাকবেন।

প্রসঙ্গত, আজ মঙ্গলবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে শুরু হয়েছে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। মঙ্গলবার বিকেলে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বইমেলা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

৩৮তম এ বইমেলা চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য- ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী’।

ফেব্রুয়ারি মাসের ১ তারিখ থেকে বইমেলা শুরু হওয়ার রীতি থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এবার বইমেলা শুরু হচ্ছে মাসের মাঝামাঝিতে। প্রতিদিন দুপুর ২টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা চলবে, তবে প্রবেশ করা যাবে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত। ছুটির দিনে মেলার দরজা খুলবে বেলা ১১টায় এবং একুশে ফেব্রুয়ারির দিন সকাল ৮টায়।

এবার মেলায় মোট ৫৩৪টি প্রতিষ্ঠানকে ৭৭৬ ইউনিট স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে একাডেমি প্রাঙ্গণে ১০২টি প্রতিষ্ঠানের জন্য রয়েছে ১৪২টি স্টল। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ৪৩২টি প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয়েছে ৬৩৪টি স্টল। প্যাভিলিয়ন রয়েছে ৩৫টি। উদ্যান অংশে পুরো মেলায় প্যাভিলিয়নগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গত বছর প্যাভিলিয়ন শুধু স্বাধীনতাস্তম্ভের সামনে রাখায় সমালোচনা হয়েছিল।