• আজ ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক |

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে কী ভাবছে বিএনপি?

আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেয়ার প্রশ্নই ওঠে না; বরং জাতীয় নির্বাচনের মতো উপজেলা নির্বাচনকেও প্রতিহত করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দলটির। বিএনপির শীর্ষ নেতারা মনে করেন, সাত জানুয়ারির ভোট জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে। তাই এবার আওয়ামী লীগ নিজেরাই এ নির্বাচনে নৌকা বর্জন করেছে।

এখনো রেশ কাটেনি জাতীয় নির্বাচনের। এরই মধ্যে বেজে উঠেছে স্থানীয় সরকার পর্যায়ের বেশ কিছু নির্বাচনের সুর। সেক্ষেত্রে মেয়াদ শেষ হওয়া প্রায় ২০০ ইউনিয়ন পরিষদের ভোট নিয়ে এরই মধ্যে মাঠ নেমে গেছে আওয়ামী লীগ।

 

দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এবারের এ নির্বাচনে মাঠ থাকবে খোলা। কোনো প্রার্থীকেই নৌকা দিচ্ছে না ক্ষমতাসীনরা। বিএনপি বলছে ৭ জানুয়ারি ভোটে জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েই এবার এমন সিদ্ধান্ত ক্ষমতাসীদের। নির্বাচনে ভোটার টানতে আওয়ামী লীগের এ কৌশলে ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি বাড়ানো যাবে না বলেও মত বিএনপি নেতাদের।

তারা বলেছেন, ৭ জানুয়ারি ক্ষমতাসীনরা আবারও প্রমাণ করেছে, তাদের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। তাই এই নির্বাচনে অংশ নেয়ার কথা মোটেও ভাবছে না বিএনপি। উল্টো ভোটারদের ভোট বিমুখ করতে আবারও নতুন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে নামার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন সময় সংবাদকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন,

আওয়ামী লীগ নৌকা বাদ দিল কেন? ইচ্ছা করে? মোটেও না। তারা দেখলেন যে নৌকা দিয়ে কোনো লাভ হচ্ছে না। মানুষ ভোট দিচ্ছে না।

আর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবদীন বলেন, ‘আগামী উপজেলা নির্বাচন কীভাবে করবে, সেটা শাসক দল ঠিক করতে পারেনি। তারা স্থানীয় নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ করেছে। কিন্তু সেখানেও আবার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদেরকে প্রতীক দিলেও মেম্বারদেরকে দেয়নি।’

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা জয়নুল আবেদিন ফারুক বলেন,
বিএনপি অতীতে বলেছে, এখনও বলছে দলীয় – সরকারের অধীনে জাতীয় হোক আর স্থানীয় হোক – কোনো নির্বাচনই গ্রহণযোগ্য হয় না। আমাদের সিদ্ধান্ত, এ সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে যাবো না। জাতীয় নির্বাচন যেভাবে বর্জন করেছি, সেভাবে স্থানীয় সরকারেও দলের অধীনে যেসব নির্বাচন হবে, সেগুলো বর্জন করা এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা আমাদের তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি পেয়েছি।

আগামী ৯ মার্চ উপজেলাসহ স্থানীয় সরকার পর্যায়ের বেশকিছু নির্বাচনের তফসিল দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।