
সম্প্রতি অসুস্থতার অজুহাত দিয়ে হলেও পলাতক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের কারণেই সদ্য বিদায়ি রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের জন্য সমস্যাযুক্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নাকি লন্ডনে গিয়ে নয়, দেশে অবস্থানকালেও একাধিকবার তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর কাছে একাধিক তথ্যপ্রমাণ রয়েছে যা সরকারের শীর্ষ পর্যায়ে জানানো হয়েছে। কিন্তু সাহাবুদ্দিন এ দাবি করেন যে, শেখ হাসিনার সঙ্গে কথোপকথনের খবরটি ভিত্তিহীন।
তিনি একাধিক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যদি কেউ ফোনালাপের কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে জনগণের যে কোনো রায় মেনে নেব। এটি আমার বিরুদ্ধে একটি চক্রান্ত।’ এছাড়া সম্প্রতি ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে সরকারের নজরে এসেছে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন তথ্য।
সাধারণ পরিস্থিতি বিবেচনায় রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের ক্ষেত্রে কোনো ‘ছাড়’ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকেই রাজনীতিতে বিভিন্ন দল সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালায়।
এদিকে, বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে যে, মে মাসে মেডিকেল কারণে মো. সাহাবুদ্দিন লন্ডনে গিয়েছিলেন এবং সেখানে তিনি শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপ করেছিলেন। ১৮ মে দেশে ফেরার পর গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এসব তথ্য উদ্ঘাটনে কাজ শুরু করে। শেখ হাসিনা তাঁর দেশে প্রত্যাবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করার ফলে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আসন্ন বিপদের মুখে পড়ে।
সোমবার, বিদেশে অবস্থানরত স্পিকারকে দেশে ফিরে আসার নির্দেশ দেয়া হয় এবং রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার বিকালে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ গ্রহণ করেন।





















