
বগুড়ার আদমদীঘিতে স্ত্রীকে মারপিট করে তার মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনায় স্বামী রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে আদমদীঘি উপজেলার কোমারপুর শিয়ালগাড়ি পাড়ায় নিজ বাড়িতে মাথা ন্যাড়া করে দেওয়ার ঘটনা ঘটে।
পরে পুলিশ গৃহবধূকে উদ্ধার ও তার স্বামী রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার রফিকুল ইসলাম ওই গ্রামের এবারত আলীর ছেলে। এ ঘটনায় গৃহবধূ বাদী হয়ে স্বামী রফিকুল ইসলামকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম ইউপির কোমারপুর শিয়ালগাড়ি পাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম ইতিঃপূর্বে ৪টি বিয়ে করেন। দেড় বছর আগে চাটখইর গ্রামের স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে পঞ্চম বিয়ে করে সংসার করছেন ‘বিয়ে পাগল’ রফিক। এখন তার স্ত্রী ধর্ষণের শিকার হয়েছে এমন অভিযোগ তুলছেন তিনি। এ অভিযোগে গত বুধবার ৬ এপ্রিল রাতে একই গ্রামের দুলু ফকির ও হান্নান ফকির নামের দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন তিনি।
এদিকে ধর্ষণের মামলা দায়েরের পর স্বামী রফিকুল ইসলাম তার স্ত্রীকে নানা অপবাদ দিয়ে তালাক দেওয়ার জন্য কৌশল অবলম্বন করেন। শুক্রবার বেলা ১১টায় রফিকুল ইসলাম বাড়ির মেইন দরজা বন্ধ করে স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন করে মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করে দেন। পুলিশ এ খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূকে উদ্ধার ও স্বামীকে গ্রেফতার করে।
ওই গৃহবধূ বলেন, তাকেও তালাক দেওয়ার কৌশলে জোড়পূর্বক শারীরিক নির্যাতন ও মাথার চুল কেটে ন্যাড়া করেছেন স্বামী।
শুক্রবার রাতে আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জালাল উদ্দীন মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত স্বামী রফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।






















