=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে: রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভি

| নিউজ রুম এডিটর ১:১৭ অপরাহ্ণ | ১৬/০৪/২০২২ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে: রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টিভি
ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান এবং রুশ যুদ্ধজাহাজ মস্কভা ডুবে যাওয়ার পর দেশটির এক টিভি সঞ্চালক বলেছেন, ইতোমধ্যেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, রাশিয়া ওয়ান নামের টিভি চ্যানেলে দর্শকদের উদ্দেশে উপস্থাপক ওগলা স্কাবেয়েভা বলেন, ‘ঘটনার তীব্রতায় একে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বলা যেতে পারে। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিত।’

ওগলা আরও বলেন, ‘আমরা এখন ন্যাটোর অবকাঠামোর সঙ্গে যুদ্ধ করছি, ন্যাটোর সঙ্গে নয়।’ অনুষ্ঠানে এক দর্শক ইউক্রেন-রাশিয়ার বর্তমান অবস্থাকে যুদ্ধ বললে তাকে বক্তব্য সংশোধন করে ‘রাশিয়ার সামরিক অভিযান’ বলতে বলা হয়।

ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুষ্ঠানটির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন এতে উত্তেজনা আরও বাড়বে। টুইটারে একজন বলেছেন, তারা ভাল্লুককে খোঁচা দিচ্ছে কিন্তু এই ক্ষেত্রে ভাল্লুক হলো ন্যাটো।

এর আগে বুধবার (১৩ এপ্রিল) কৃষ্ণসাগরে মোতায়েন রুশ নৌবহরের একটা যুদ্ধজাহাজে বিস্ফোরণ ঘটে। ইউক্রেনের দাবি, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জাহাজটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে। বিস্ফোরণে জাহাজটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। জাহাজটি থেকে ৫১০ নাবিককে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়।

রুশ নৌবহর ব্ল্যাক সি ফ্লিট কৃষ্ণসাগর থেকে ইউক্রেন হামলার নেতৃত্ব দিচ্ছে। মস্কভা নামে জাহাজটি এরই অংশ হিসেবে মিসাইল ও গোলাবারুদ বহন করছিল । বৃহস্পতিবার সেটিকে বন্দরে ফিরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু ঝড়ো আবহাওয়ায় জাহাজটি ডুবে গেছে বলে জানান রুশ প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা। সেই সঙ্গে রাজধানী কিয়েভে হামলা জোরদার করার অঙ্গীকার করেন তারা।

শুক্রবার ভোর থেকেই কিয়েভজুড়ে বিস্ফোরণ শুরু হয়। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, এদিন রাতভর রাজধানীর এক প্রান্তে একটি সামরিক এলাকা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, এ সময় ইউক্রেনজুড়ে বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠে।

রয়টার্স আরও বলেছে, চলতি মাসের প্রথমদিকে রুশ বাহিনী রাজধানী থেকে সরে যাওয়ার পর এদিনই সবচেয়ে শক্তিশালী বিস্ফোরণ শোনা যায়। আলজারিরা বলেছে, বিস্ফোরণের পর রাজধানীজুড়ে বিদ্যুৎ সংযোগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়।