=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৮শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের তুলনায় দেশে তেলের দাম অনেক কম

বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি দামে ভারতে ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে। তবে দেশে ব্যবসায়িক কারসাজি নিয়ন্ত্রণে থাকলে দাম আরও কম হতো বলে মনে করেন অর্থনীতিবিদরা। এদিকে নতুন দাম নির্ধারণের পর এখনও বাজারে সয়াবিন না পাওয়ায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতারা।

আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্যতেলের দাম উঠানামা করায় এরই মধ্যে সব দেশেই নাভিশ্বাস অবস্থা। প্রতিবেশী দেশ ভারতে প্যাকেটজাত ও নিম্নমানের খোলা সয়াবিনের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। দেশটিতে খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ২২৪ টাকা পড়লেও বাংলাদেশে সবশেষ খোলা সয়াবিনের দাম ৪৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া এক লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেলে ১৯৮ টাকা, পাঁচ লিটারের বোতলজাত তেল ৯৮৫ টাকা এবং পাম ‍সুপার তেলের দাম ১৭২ টাকা নির্ধারণ করে সরকার।

দেশের বাজারে তেলের দাম ভারতের চেয়ে কম থাকলে, তা সুখকর নয় বলে মনে করেছেন অর্থনীতিবিদরা। অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুতকরণ ও সিন্ডিকেট না থাকলে আরও কম দামে মানুষ তেল কিনতে পারত বলেও জানাান তারা।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৫ মে) তেলের নতুন দাম সমন্বয়ের দুদিন পরও বাজারে মিলছে না সয়াবিন তেল। হঠাৎ তেলের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়া আরেক ক্রেতা বলেন, আগে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা লিটার দরে তেল পাওয়া যেত। কিন্তু হঠাৎ করে এত হারে বেড়ে গেলে তো আমরা চলতে পারব না। কোনো দোকানে তেল নেই। এক লিটার তেল ২০০ টাকা এবং ৫ লিটারের তেল এক হাজার টাকা চাচ্ছে। তারপরও তেল পাওয়া যাচ্ছে না।

তবে ডিলাররা বলছেন, রোববার (৮ মে) ব্যাংক খোলার পর সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।

অন্যদিকে বেশি দামেও তেল না পেয়ে হতাশ ভোক্তারা।

তবে বাজারে পাম তেল সরবরাহ থাকলেও ডিলাররা নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ব্যবসায়ীরা।