• আজ ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

পি কে হালদারকে গ্রেফতারের আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য আসেনি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

| নিউজ রুম এডিটর ৩:২৮ অপরাহ্ণ | ১৫/০৫/২০২২ জাতীয়, লিড নিউজ

ভারতে গ্রেফতার হওয়া এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রশান্ত কুমার হালদারকে (পি কে হালদার) আটক করার কোনো তথ্য বাংলাদেশে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রোববার (১৫ মে) রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ প্রগতিশীল কলামিস্ট ফোরাম আয়োজিত ‘শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন : ইতিহাসের পুনর্নির্মাণ’ শীর্ষক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পি কে হালদার বাংলাদেশে ওয়ারেন্টেড ব্যক্তি। আমরা ইন্টারপোলের মাধ্যমে অনেক দিন ধরেই তাc 7কে চাচ্ছিলাম। সে গ্রেফতার হয়েছে, তবে আমাদের কাছে এখনও অফিসিয়ালি কিছু (তথ্য) আসেনি। আমাদের যতো কাজ আমরা আইনগতভাবে করব।

তিনি বলেন, ভারতে কী কী করেছেন সে বিষয়ে সেই দেশের আইনের মুখোমুখি হচ্ছেন তিনি। পি কে হালদার দেশে অনেকগুলো মামলার আসামি। এবার এসব মামলার কারণেই তাকে ফেরত চাওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য আইনগত প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে শনিবার (১৪ মে) সকালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পি কে হালদার, তার ভাই ও স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে রোববার (১৫ মে) ভারতের বারাসাতের আদালতে তোলা হলে তদন্তের স্বার্থে তাদের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

পি কে হালদারের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগ রয়েছে। বেশ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকালে এই অর্থ পাচার করেছিলেন তিনি। তাকে গ্রেফতার করতে রেড অ্যালার্ট জারি করেছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশন (ইন্টারপোল)।