• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা |

নূপুর শর্মাকে ধিক্কার সুপ্রিম কোর্টের

| নিউজ রুম এডিটর ২:২৭ অপরাহ্ণ | জুলাই ২, ২০২২ আইন ও আদালত, লিড নিউজ

মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির বহিষ্কৃত মুখপাত্র নূপুর শর্মাকে কার্যত ধিক্কার জানাল দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালত মন্তব্য করেছেন, নূপুর শর্মার মন্তব্য গোটা দেশে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে, গোটা দেশে উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য দায়ী সে। তাই গোটা দেশের কাছে তার ক্ষমা চাওয়া উচিত।

মহানবীকে মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গোটা দেশে তার বিরুদ্ধে যত অভিযোগ বা এফআইআর দায়ের করা হয়েছে তা সবই যাতে দিল্লিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সেই ব্যাপারে শীর্ষ আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করেছিলেন নূপুর।

তার আইনজীবী আদালতে বলেন, নূপুর শর্মা হুমকির মুখে রয়েছেন এবং কোথাও যাতায়াত তাঁর জন্য এখন নিরাপদ নয়। জবাবে বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, তিনি হুমকির মুখে রয়েছেন নাকি নিজেই নিরাপত্তা-হুমকি হয়ে উঠেছেন? যেভাবে তিনি দেশজুড়ে (ধর্মীয়) আবেগ উসকে দিয়েছেন, দেশে যা কিছু ঘটছে, তার জন্য এই নারী একাই দায়ী।

সুপ্রিম কোর্ট এই মামলায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ক্ষমতাসীনদের ইঙ্গিত করে সর্বোচ্চ আদালত বলেন, ‘যখন আপনারা অন্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেন, তারা তাৎক্ষণিক গ্রেফতার হন।

যখন সেটা আপনাদের বিরুদ্ধে হয়, তখন আর কেউ আপনাদের স্পর্শ করার সাহস পায় না।

উল্লেখ্য, গত মে মাসে ভারতের এক টেলিভিশন শোতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তার স্ত্রী বিবি আয়েশাকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের অভিযোগ উঠেছিল নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে। ওই ইস্যুতে ঘরে-বাইরে প্রবল চাপের মুখে পড়ে নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এর তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

এরপরই তড়িঘড়ি নূপুর শর্মাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়।