• আজ ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী |

বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসা, টিফিনের টাকা জমিয়ে শাহাদতবার্ষিকীতে গণভোজ

| নিউজ রুম এডিটর ৮:০২ পূর্বাহ্ণ | ১৬/০৮/২০২২ জাতীয়, বাংলাদেশ, লিড নিউজ

বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসার নজির সৃষ্টি করেছে এক স্কুলছাত্র। নিজের টিফিনের টাকা জমিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদতবার্ষিকীতে মিলাদ, দোয়া মাহফিল ও গণভোজের আয়োজন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে (ফেসবুক) ভাইরাল হয়েছে।

ওই স্কুলছাত্রের নাম মোহাম্মদ সামিউল ইসলাম খান সোহান। সে পৌরশহরের হার্ডিঞ্জ সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্র ও ক্যাপ্টেন। সে পৌরশহরের বাগনগর মডেল টাউনের বাসিন্দা এসএম পারভেজ খানের কনিষ্ঠ ছেলে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, যখন থেকে বুঝতে শুরু করেছে তখন থেকেই সামিউল বঙ্গবন্ধুর প্রতি ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ হয়। এই ধারবাহিকতায় সে ফেসবুক ও ইউটিউবে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন করে। ফেসবুক ও ইউটিউবের মাধ্যমেই ভোটাভুটি করে লিডার নির্বাচিত হয়।

মাঝেমধ্যেই সে বঙ্গবন্ধুকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে থাকে। এরই ধারবাহিকতায় টিফিনের জন্য প্রতিদিন একশ টাকা নিত তার মা জান্নাতুল ফেরদৌসী সম্পার কাছ থেকে। স্কুল বন্ধ থাকলেও তাকে ওই টাকা দিতে হতো। কিন্তু এ টাকা খরচ না করে জমাতে থাকে বঙ্গবন্ধুর শাহাদতবার্ষিকীতে সমাজের গরিব দুঃখী মানুষকে ভূরিভোজ করাতে।

সামিউল ইসলাম খান সোহান জানায়, স্বাধীনতার সময় আমাদের জন্ম হয়নি। তবে ইতিহাস ও বড়দের কাছ থেকে জেনেছি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জীবনবাজি রেখে দেশমাতৃকাকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধ শুরু করেন পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে। এজন্য তাকে পাকিস্তানে কারাবরণ করতে হয়েছে। পাকিস্তান সরকার তার ওপর চালিয়েছে অবর্ণনীয় নির্যাতন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর দেশ মাতৃকাকে ঢেলে সাজানোর কোনো সময় না দিয়ে ঘাতকরা তাকে সপরিবারে খুন করে। সেই বিভীষিকাময় মুহূর্তে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা দেশের বাইরে থাকায় তারা প্রাণে বেঁচে যান। দেশে থাকলে তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করা হতো।

সে বলে- সেদিন বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণ না হলেও আজ তার যোগ্য উত্তরসূরি শেখ হাসিনার মাধ্যমে তার স্বপ্নেরই বাস্তবায়ন হচ্ছে। এজন্য হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি ও মহান নেতার প্রতি ভালোবাসায় উদ্বুদ্ধ হয়েই যত সামান্য অবদান রাখার চেষ্টা করেছি মাত্র। আর এ সবই সম্ভব হয়েছে আমার আব্বু ও আম্মুর জন্য। তাদরে সদিচ্ছা না থাকলে আমার পক্ষে এ মহৎ কাজ করা মোটেও সম্ভব হতো না।

জান্নাতুল ফেরদৌসী সম্পা বলেন, বুঝতে শেখার পর থেকেই সামিউল বঙ্গবন্ধুকে মনেপ্রাণে ভালোবাসে। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ওর অনেক লেখা রয়েছে। সামিউল কখনই ওর আব্বুর কাছে কোনো টাকা-পয়সা চায় না; যা লাগে আমার কাছ থেকেই নেয়। টিফিনের জন্য নিলেও টিফিনের টাকা জমিয়ে আজ যে কাজটি করেছে তাতে গর্বে আমার প্রাণটা শীতল হয়ে গেছে।