• আজ ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

সংসদীয় কমিটির সভাপতির পদও হারালেন খন্দকার মোশাররফ

এবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতির পদ থেকেও বাদ পড়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তাকে সরিয়ে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম নাহিদকে সভাপতি করা হয়েছে।

রোববার জাতীয় সংসদে এই স্থায়ী কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। একই সঙ্গে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী সংসদীয় উপনেতা হওয়ায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামকে কৃষি মন্ত্রণালয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের পর গঠিত কমিটিতে দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যের পদ থেকেও খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়।

২০০৮ সালের নির্বাচনে ফরিদপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তাকে প্রথমে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে তাকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বাদ পড়েন খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

মোশাররফের অনুপস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয় না। সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল গত বছরের ১৩ মার্চ। গত এপ্রিলের শেষ দিকে তিনি সুইজারল্যান্ডে চলে যান।

স্থানীয় রাজনীতি থেকে নির্বাসিত হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় সংসদের কাজেও নিষ্ক্রিয় রয়েছেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি সংসদ অধিবেশনে সর্বশেষ যোগ দিয়েছিলেন গত বছরের ৬ এপ্রিল। একসময় ফরিদপুরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির এই নিয়ন্ত্রককে গত আড়াই বছরে নির্বাচনী এলাকায় দেখা গেছে মাত্র দুবার।

তার এই নিষ্ক্রিয়তায় সংসদীয় কমিটি যেমন অচল হয়ে পড়েছে, তেমনি নির্বাচনী এলাকার কিছু উন্নয়নকাজেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।