• আজ ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

নিকোলসের ওপর ‘বর্বরতার’ ভিডিও ফাঁস

| নিউজ রুম এডিটর ৬:০৭ অপরাহ্ণ | ২৮/০১/২০২৩ আন্তর্জাতিক

২০২০ সালে জর্জ ফ্লয়েডের ঘটনার পর শুক্রবার ঘটলো আরও একটি হৃদয় বিদারক ঘটনা। যুক্তরাষ্ট্রের মিসিসিপি রাজ্যের মেমফিসে টায়ার নিকোলস নামে এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক পুলিশের হাতে বেধড়ক মার খেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

শুক্রবার সেই ঘটনার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই কৃষ্ণাঙ্গ যুবকের ওপর হওয়া পুলিশি নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৭ জানুয়ারি ৫ পুলিশ অফিসারের নির্যাতনের শিকার হন নিকোলস। এর তিনদিন পর হাসপাতালে মৃত্যু হয় তার। ভিডিওতে দেখা যায় নির্যাতনের সময় মা মা বলে আর্তনাত করছিলেন তিনি। চিৎকার-আর্তনাতের পরও তার ওপর দীর্ঘ সময় চলে নির্যাতন।

২৯ বছর বয়সী নিকোলসকে ট্রাফিক আইন অমান্য করার অপরাধে আটকায় পুলিশ। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ভয়ে তিনি দৌঁড় দিলে পুলিশ সদস্যরা তাকে পাকড়াও করে বর্বর নির্যাতন চালান। তার মুখে একাধিক লাথি, ঘুষি মারেন তারা।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ভিডিওটি দেখার পর বলেছেন, এই ‘ভয়ানক ভিডিও’ দেখে ‘অত্যন্ত ব্যথিত’ হয়েছেন তিনি।

পুলিশের পক্ষ থেকে প্রথমে বলা হয়েছিল বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোয় নিকোলসকে আটক করা হয়েছিল। যে ৫ পুলিশ সদস্য নিকোলসের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন তারাও সবাই কৃষ্ণাঙ্গ।

মেমফিস পুলিশের পক্ষ থেকে সব মিলিয়ে চারটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। প্রথম ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ নিকোলসকে গাড়ি থেকে বের হয়ে মাটিতে শুয়ে পড়তে বলছে। এ সময় নিকোলস বলেন, আমি কিছু করিনি।

এ সময় এক অফিসার গালাগাল দিয়ে বলেন, মাটিতে শুয়ে পড়। আরেকজন নিকোলসকে টেজার দিয়ে ইলেকট্রিক শক দিতে বলেন।

আরেকজন অফিসারকে চিৎকার করে বলতে শোনা যায়, আমি তোমার হাত ভেঙে দেওয়ার আগে হাত পেছনে রাখ।

পুলিশের এমন আচরণে ভয় পেয়ে যান নিকোলস। তখন তিনি বলেন, আপনারা এখন অনেক বাড়াবাড়ি করছেন। আমি বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করছি।

ওই মুহুর্তে নিকোলসকে ইলেকট্রিক শক দেওয়া হলে তিনি দৌঁড় দেন।

এর পর সিসি ক্যামেরায় ধারণকৃত একটি ভিডিওতে দেখা যায় নিকোলসকে মারধর করছেন তারা। তার মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাথায় কিল ঘুষি মারা হচ্ছে।

এদিকে এ ঘটনায় অভিযুক্ত পাঁচ পুলিশ সদস্যকে ইতোমধ্যে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

নির্যাতনের ভিডিও প্রকাশের পর নিকোলসের মা জানিয়েছেন, তার ছেলেকে বাড়ি থেকে মাত্র ২৩০ ফুট দূরে হত্যা করা হয়েছে।

নিকোলসের চার বছর বয়সী একটি সন্তান রয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো।